চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোড এলাকার আরএস টাওয়ারের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটের বারান্দায় খেলতে গিয়ে দুই শিশু বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে এসে দগ্ধ হয়েছে। সাত বছরের ফাইজা আক্তার এবং চার বছরের মো. সাব্বির গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
দগ্ধ দুই শিশু তাদের পরিবারের সঙ্গে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। ফাইজা লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানার মো. ফরহাদের মেয়ে, আর সাব্বির একই এলাকার মো. সুমন মিয়ার সন্তান। দুর্ঘটনাস্থলটি ওই ফ্ল্যাটের বারান্দার পাশেই ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন রয়েছে, যা থেকে কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না।
বাড়ির ভাড়াটিয়া প্রবাসী সোহেল দেওয়ানের স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার বলেন, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তার দুই খালাতো বোনের সাথে আসা শিশুরা খেলতে বারান্দায় যায়। কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দ শুনে গিয়ে তারা দুই শিশুর দগ্ধ ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি দেখেন। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুরা হাতে রাখা লোহার পাইপ দিয়ে বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে আসে।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার ডা. আসিবুল হাসান জানান, ফাইজার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ এবং সাব্বিরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে, দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ হয়েছে কি না তা তিনি জানেন না। তিনি ঘটনাকালে থানার বাইরে ছিলেন এবং থানার পুলিশ পরিদর্শকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি।
মন্তব্যসমূহ