ঢাকা    রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ফের পেছাল ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

 ফের পেছাল ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১৭তমবারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছাল। নতুন করে আগামী ১৫ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি মামলার তদন্ত সংস্থা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট, সিআইডি। পরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার তদন্ত করছেন সিআইডির ঢাকা মেট্রো পূর্ব বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ ১৭ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে ওই অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের নারাজি আবেদন করেন।

গত ১২ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানির দিন বাদীপক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য সময় চান। পরে আদালত ১৫ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য করেন। ওই দিন বাদীপক্ষ অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করলে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন এবং তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন শরিফ ওসমান হাদি। এরপর গণসংযোগে বের হলে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন তিনি।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলায় হত্যা ধারা যুক্ত করা হয়।

তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং হাদির বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করাও হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগ : সিআইডি ওসমান হাদি আদালত ইনকিলাব মঞ্চ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফের পেছাল ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১৭তমবারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছাল। নতুন করে আগামী ১৫ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি মামলার তদন্ত সংস্থা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট, সিআইডি। পরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার তদন্ত করছেন সিআইডির ঢাকা মেট্রো পূর্ব বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ ১৭ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে ওই অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের নারাজি আবেদন করেন।

গত ১২ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানির দিন বাদীপক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য সময় চান। পরে আদালত ১৫ জানুয়ারি শুনানির দিন ধার্য করেন। ওই দিন বাদীপক্ষ অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করলে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন এবং তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন শরিফ ওসমান হাদি। এরপর গণসংযোগে বের হলে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন তিনি।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলায় হত্যা ধারা যুক্ত করা হয়।

তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং হাদির বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করাও হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ