সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর হয়েছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে তার সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্পিকার। তিনি বলেন, পদত্যাগের বিষয়টি গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য পাঠানো হয়েছে। গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পর অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানানো হবে।
স্পিকার বলেন, “জাতীয় সংসদের মহিলা আসন-২৩ এর সংসদ সদস্য (এমপি) ফেরদৌসী আহমেদ আজ আমার অফিসে এসে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র দিয়ে গেছেন। সংবিধানের বিধানমতে পদত্যাগ করামাত্র তার এই আসন শূন্য হয়েছে। আমরা এটি গেজেট করার জন্য পাঠিয়েছি, গেজেট হয়ে আসামাত্র অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানিয়ে দেবো।”
পদত্যাগ কখন থেকে কার্যকর হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আজ থেকেই এই পদত্যাগপত্র কার্যকর হলো। সংসদের বিধান হলো- এমপিরা যখন পদত্যাগ করেন কোনো কারণ উল্লেখ করেন না।”
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। একই দিন তাকে সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার বিষয়টিও সামনে আসে।
রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর তার পদত্যাগের বিষয়টি সামনে আসে।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও ওঠে।
গত বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্তাধীন রয়েছে।
মন্তব্যসমূহ