শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আবারও বাড়িয়েছেন আদালত। নতুন করে আগামী ১৭ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এদিন প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে গত ২৭ জুলাই একই আদালত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ঠিক করেছিলেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কণিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজামসহ অন্যরা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ধারাবাহিক লেনদেন ও প্রতারণামূলক ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়েছেন। এর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওই শেয়ারে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করে বাজারে কারসাজি করা হয় বলে দুদকের অভিযোগ।
দুদকের মামলার নথিতে দাবি করা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ অর্থকে অপরাধলব্ধ অর্থ হিসেবে উল্লেখ করে অর্থপাচারের অভিযোগও আনা হয়েছে।
২০২৫ সালের ১৭ জুন দুদক মামলাটি করে। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।