চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় প্রায়ই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো মোহাম্মদ রায়হানকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না র্যাব-৭। র্যাবের নবনিযুক্ত অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিদেশি প্রযুক্তি ব্যবহার ও দুর্গম ভৌগোলিক পরিস্থিতির কারণে রায়হানের অবস্থান সনাক্ত করা এবং তাঁকে আটক করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
র্যাব-৭ জানায়, মোহাম্মদ রায়হানের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনের অন্তত ১৫টি মামলা দায়ের রয়েছে। বিদেশি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্যবহার করে তিনি নগর ও জেলা এলাকায় চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত আছেন। তাঁকে সহযোগিতা করছেন পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ।
র্যাব মোহাম্মদ রায়হানকে ধরতে একটি বিশেষ টিম গঠন করেছে, যারা সার্বক্ষণিকভাবে এই কেসে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাও যৌথভাবে মাঠে রয়েছে। অধিনায়ক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দ্রুত রায়হান ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তারের জন্য তারা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।
সরকার হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারু উদ্ধারে নির্দিষ্ট অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা করেছে। রাইফেল, সাবমেশিনগান, লাইট মেশিনগান ও স্নাইপারের তথ্য দিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করলে দুই লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। শটগান, পিস্তল ও গ্যাসগানের ক্ষেত্রে পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া অন্যান্য সামগ্রীর তথ্যের জন্যও নগদ পুরস্কার নির্ধারিত হয়েছে।
র্যাব তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত স্বেচ্ছায় এসব তথ্য দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের এই উদ্যোগের মাধ্যমে মোহাম্মদ রায়হানসহ সন্ত্রাসী শক্তিকে দমন এবং অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।