ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মার্কিন সামরিক ভাণ্ডারে অত্যাধুনিক অস্ত্রের তীব্র সংকট

মার্কিন সামরিক ভাণ্ডারে অত্যাধুনিক অস্ত্রের তীব্র সংকট
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

মার্কিন সামরিক বাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অস্ত্র ও অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি পর্যবেক্ষণ সংস্থা।

সোমবার প্রকাশিত এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সামরিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত গোলাবারুদ, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইন্টারসেপ্টরের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ইউএসএআইডির পরিদর্শকদের যৌথ মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

পর্যালোচনায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত হ্রাসের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের মজুত যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে নিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে এই সময় তিন বছর পর্যন্ত গড়াতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। অস্ত্র উৎপাদনের সীমিত সক্ষমতা, সরবরাহব্যবস্থার চাপ এবং নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের উৎপাদন সময় দীর্ঘ হওয়াকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটির শত শত স্থাপনা ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ধ্বংস হয়েছে।

এসব হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন সামরিক বিমান ও ড্রোনও ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবহারের পরিমাণ এবং সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতির কারণে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ বেড়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

বিশেষ করে উচ্চমূল্যের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরোধী অস্ত্র দ্রুত পুনরায় উৎপাদন করা কঠিন হওয়ায় সামরিক মজুত পুনর্গঠনের বিষয়টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগ : ইরান যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন সামরিক বাহিনী

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মার্কিন সামরিক ভাণ্ডারে অত্যাধুনিক অস্ত্রের তীব্র সংকট

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মার্কিন সামরিক বাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অস্ত্র ও অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি পর্যবেক্ষণ সংস্থা।

সোমবার প্রকাশিত এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সামরিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত গোলাবারুদ, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইন্টারসেপ্টরের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে নতুন অস্ত্র সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ইউএসএআইডির পরিদর্শকদের যৌথ মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

পর্যালোচনায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুত হ্রাসের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের মজুত যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে নিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে এই সময় তিন বছর পর্যন্ত গড়াতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। অস্ত্র উৎপাদনের সীমিত সক্ষমতা, সরবরাহব্যবস্থার চাপ এবং নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের উৎপাদন সময় দীর্ঘ হওয়াকে এর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটির শত শত স্থাপনা ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ধ্বংস হয়েছে।

এসব হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন সামরিক বিমান ও ড্রোনও ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবহারের পরিমাণ এবং সামরিক সরঞ্জামের ক্ষতির কারণে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ বেড়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

বিশেষ করে উচ্চমূল্যের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরোধী অস্ত্র দ্রুত পুনরায় উৎপাদন করা কঠিন হওয়ায় সামরিক মজুত পুনর্গঠনের বিষয়টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ