যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান।
পেজেশকিয়ানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক অবরোধের কারণে ইরানের রপ্তানি ও আমদানি প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে দেশটির অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে।
তবে তিনি বলেন, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ইরান তেল বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তার দাবি, একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি কার্যকর থাকা সময়ে ইরান প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল তেল বিক্রি করেছে।
ইরানের আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদারের এই উদ্যোগ এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়। সংঘাত ও নিরাপত্তা সংকটের কারণে এই নৌপথের স্থিতিশীলতা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ রয়েছে।
তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইরানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে চাপে পড়েছে। ফলে তেহরান নতুন করে আঞ্চলিক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
মন্তব্যসমূহ