প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় আরও কয়েকজন নতুন সদস্য যুক্ত হতে পারেন। তাদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বান্দরবান আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের কয়েকজনের সঙ্গে এরই মধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আন্দালিব রহমান পার্থের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজেপির মহাসচিব আব্দুল মতিন সাউদ। তিনি জানান, মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য পার্থের কাছে ফোন এসেছে। তবে তাকে ঠিক কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি।
বর্তমানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং দলটির মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক। মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন এলে তাকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
এদিকে, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারাও বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন। বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে শেষ মুহূর্তের আগে মন্ত্রিসভার দায়িত্ব সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন বলেও উল্লেখ করেন।
সাচিং প্রু জেরী জানান, তাকে ফোন করে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বঙ্গভবনে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তবে তাকে কোন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের সময় প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৫০ জন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিসভার সদস্য নন।
মন্তব্যসমূহ