ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি মামলায় রায় দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে হত্যা মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক নারী আসামিকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হাফিজুর রহমান এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস পৃথক মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন।

হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন বাসাইল উপজেলার ছামাদ মিয়ার ছেলে শাহিনুর রহমান। আর ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সখীপুরের খোরশেদ আলমের ছেলে মো. শহিদ, মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. ইসমাইল, মজিবুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহমান এবং আবু হানিফের স্ত্রী অযুফা বেগম।

আদালত সূত্র ও সরকারি কৌঁসুলির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ বছর আগে শাহিনুর রহমানের সঙ্গে স্বপ্নার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই বিরোধ দেখা দিত। ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ভোরে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে শাহিনুর স্বপ্নাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় স্বপ্নাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহতের বাবা মুন্নান মিয়া একই দিন বাসাইল থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার চলাকালে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত শাহিনুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, ২০২০ সালের ১৮ মে রাতে সখীপুরে এক নারী তার মায়ের সঙ্গে কবিরাজের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানের দোকানে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাঁচ ব্যক্তি ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে তাকে একটি বাড়ির সামনে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিজেই থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

এ মামলায় অযুফা বেগমকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকেও আরও এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি মামলায় রায় দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে হত্যা মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক নারী আসামিকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হাফিজুর রহমান এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস পৃথক মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন।

হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন বাসাইল উপজেলার ছামাদ মিয়ার ছেলে শাহিনুর রহমান। আর ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সখীপুরের খোরশেদ আলমের ছেলে মো. শহিদ, মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. ইসমাইল, মজিবুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহমান এবং আবু হানিফের স্ত্রী অযুফা বেগম।

আদালত সূত্র ও সরকারি কৌঁসুলির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ১৫ বছর আগে শাহিনুর রহমানের সঙ্গে স্বপ্নার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই বিরোধ দেখা দিত। ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ভোরে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে শাহিনুর স্বপ্নাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় স্বপ্নাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহতের বাবা মুন্নান মিয়া একই দিন বাসাইল থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচার চলাকালে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত শাহিনুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, ২০২০ সালের ১৮ মে রাতে সখীপুরে এক নারী তার মায়ের সঙ্গে কবিরাজের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানের দোকানে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাঁচ ব্যক্তি ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে তাকে একটি বাড়ির সামনে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিজেই থানায় মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

এ মামলায় অযুফা বেগমকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকেও আরও এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ