ঢাকা    সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

টাইটেল জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৩ মার্কিন এফ-৩৫ ধ্বংসের দাবি ইরানের

টাইটেল জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৩ মার্কিন এফ-৩৫ ধ্বংসের দাবি ইরানের
সংগৃহীত ছবি
ফলো করুন

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং আরও তিনটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজে প্রকাশিত আইআরজিসির একটি বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় একই পরিবারের দুই প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশু নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে পাল্টা অভিযান চালানো হয়।

আইআরজিসির দাবি, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্স বিমানঘাঁটির একটি র‌্যাম্প এবং যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার সময় ওই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন ছিল বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

ইরানি বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণকর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে কতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল, হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয় এবং নিহত ব্যক্তির সংখ্যা কত—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি আইআরজিসি।

ইরানের কেশম দ্বীপে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির প্রতিশোধ হিসেবে অভিযানটি চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। আইআরজিসি বলেছে, নিরীহ পরিবারের ওপর হামলাকারী বাহিনীর জন্য এ অঞ্চলে কোনো নিরাপদ স্থান থাকবে না।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে আইআরজিসি। সংস্থাটি ঘোষণা দিয়েছে, ‘ইসলামি ভূখণ্ড থেকে শেষ মার্কিন সেনা অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত’ তাদের সামরিক প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

জর্ডানের জনগণের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছে আইআরজিসি। তাদের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত হলে সেগুলো লক্ষ্য করে অভিযান চালানো অব্যাহত থাকবে।

তবে আইআরজিসির দাবি করা এফ-৩৫ ধ্বংস, ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আল জাজিরাও জানিয়েছে, তারা এসব দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন কিংবা জর্ডান সরকারও তাৎক্ষণিকভাবে তিনটি এফ-৩৫ ধ্বংস বা আরও তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেনি। হামলার পর বিমানঘাঁটির কোনো ছবি বা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য ভিডিওও প্রকাশ্যে আসেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগ : ইরান জর্ডান আইআরজিসি এফ-৩৫

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


টাইটেল জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৩ মার্কিন এফ-৩৫ ধ্বংসের দাবি ইরানের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং আরও তিনটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজে প্রকাশিত আইআরজিসির একটি বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় একই পরিবারের দুই প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশু নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে পাল্টা অভিযান চালানো হয়।

আইআরজিসির দাবি, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্স বিমানঘাঁটির একটি র‌্যাম্প এবং যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার সময় ওই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন ছিল বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

ইরানি বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণকর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে কতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল, হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয় এবং নিহত ব্যক্তির সংখ্যা কত—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি আইআরজিসি।

ইরানের কেশম দ্বীপে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির প্রতিশোধ হিসেবে অভিযানটি চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। আইআরজিসি বলেছে, নিরীহ পরিবারের ওপর হামলাকারী বাহিনীর জন্য এ অঞ্চলে কোনো নিরাপদ স্থান থাকবে না।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে আইআরজিসি। সংস্থাটি ঘোষণা দিয়েছে, ‘ইসলামি ভূখণ্ড থেকে শেষ মার্কিন সেনা অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত’ তাদের সামরিক প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

জর্ডানের জনগণের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছে আইআরজিসি। তাদের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত হলে সেগুলো লক্ষ্য করে অভিযান চালানো অব্যাহত থাকবে।

তবে আইআরজিসির দাবি করা এফ-৩৫ ধ্বংস, ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আল জাজিরাও জানিয়েছে, তারা এসব দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন কিংবা জর্ডান সরকারও তাৎক্ষণিকভাবে তিনটি এফ-৩৫ ধ্বংস বা আরও তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেনি। হামলার পর বিমানঘাঁটির কোনো ছবি বা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য ভিডিওও প্রকাশ্যে আসেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ