ঢাকা    সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

১০৮ ঘণ্টা পর বন্ধ কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

১০৮ ঘণ্টা পর বন্ধ কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমায় নেমে আসায় বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। টানা ১০৮ ঘণ্টা খোলা থাকার পর বুধবার, ২২ জুলাই রাত সাড়ে ১১টায় জলকপাটগুলো বন্ধ করা হয়।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার, ১৮ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় বাঁধের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় জলকপাট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছিল।

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে ৪ জুলাই থেকে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বাড়তে শুরু করে। এতে হ্রদের উজান এলাকার বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়।

পানির চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হ্রদের আশপাশের এলাকা রক্ষায় কর্তৃপক্ষ জলকপাট খুলে অতিরিক্ত পানি অপসারণ শুরু করে। পরে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় এবং পানির স্তর নিরাপদ পর্যায়ে নেমে আসায় জলকপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার রাত ১১টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৩ দশমিক ২৬ ফুট মিন সি লেভেল বা এমএসএল।

কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। তবে বাঁধের পানির বিপৎসীমা ধরা হয় ১০৮ দশমিক ৫০ ফুট এমএসএল।

বর্তমানে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিট পরিচালনার মাধ্যমে হ্রদ থেকে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।

চালু ইউনিটগুলো থেকে বর্তমানে মোট ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে।

প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, হ্রদের পানির উচ্চতা আপাতত নিরাপদ পর্যায়ে থাকায় ১৬টি জলকপাট বন্ধ করা হয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে হ্রদের পানির স্তর আবার বেড়ে গেলে পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগ : রাঙামাটি কাপ্তাই

বাংলা ভিউজ

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১০৮ ঘণ্টা পর বন্ধ কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমায় নেমে আসায় বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। টানা ১০৮ ঘণ্টা খোলা থাকার পর বুধবার, ২২ জুলাই রাত সাড়ে ১১টায় জলকপাটগুলো বন্ধ করা হয়।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার, ১৮ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় বাঁধের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় জলকপাট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছিল।

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে ৪ জুলাই থেকে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর বাড়তে শুরু করে। এতে হ্রদের উজান এলাকার বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়।

পানির চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হ্রদের আশপাশের এলাকা রক্ষায় কর্তৃপক্ষ জলকপাট খুলে অতিরিক্ত পানি অপসারণ শুরু করে। পরে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় এবং পানির স্তর নিরাপদ পর্যায়ে নেমে আসায় জলকপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার রাত ১১টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৩ দশমিক ২৬ ফুট মিন সি লেভেল বা এমএসএল।

কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। তবে বাঁধের পানির বিপৎসীমা ধরা হয় ১০৮ দশমিক ৫০ ফুট এমএসএল।

বর্তমানে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিট পরিচালনার মাধ্যমে হ্রদ থেকে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।

চালু ইউনিটগুলো থেকে বর্তমানে মোট ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে।

প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, হ্রদের পানির উচ্চতা আপাতত নিরাপদ পর্যায়ে থাকায় ১৬টি জলকপাট বন্ধ করা হয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে হ্রদের পানির স্তর আবার বেড়ে গেলে পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ