ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের মৌলিক নাগরিক অধিকার রক্ষার দিন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি উল্লেখ করেন, আজকের এই দিনটি মূলত জনগণের ব্যক্তি স্বাধীনতা, নাগরিক স্বাধীনতা এবং স্বাধীনভাবে চলাচলের যে সাংবিধানিক অধিকার—তা রক্ষার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) ঐতিহাসিক ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত বর্ণাঢ্য ‘সার্বভৌমত্ব’ শোভাযাত্রার শুরুতে নয়াপল্টনে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সমাবেশে রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের মুক্তিকামী মানুষের জন্য আজকের এই দিনটি অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক সিপাহি ও সাধারণ জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক সার্বভৌমত্বকে বিদেশি আধিপত্যবাদের হাত থেকে রক্ষা করেছিল।
শোভাযাত্রার উদ্বোধনী এই সমাবেশে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মো. আমান উল্লাহ আমান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটের হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিলসহ অংশ নেন।














মন্তব্যসমূহ