ঢাকা    শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কর নিয়মে পরিবর্তন: কাটা কর ফেরতের সুযোগ

সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কর নিয়মে পরিবর্তন: কাটা কর ফেরতের সুযোগ
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কর কেটে নেওয়ার প্রচলিত নিয়মে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে কর বিভাগ। এর ফলে সীমিত আয়ের মানুষ, প্রবীণ ও অবসরপ্রাপ্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্থিক স্বস্তির নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভর করে সংসার চালান এবং যাঁদের অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য আয় নেই, তাঁরা উৎসে কেটে নেওয়া করের পুরো টাকাই ফেরত পেতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য করদাতাদের অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

অন্যদিকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার পাশাপাশি যাঁদের বেতন, বাড়িভাড়া কিংবা ব্যবসা থেকে নিয়মিত আয় রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সামগ্রিক বার্ষিক আয়ের ওপর ভিত্তি করে করের মোট দায় আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

পূর্বে টিআইএনধারী বিনিয়োগকারীদের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বিতরণের সময় ১০ শতাংশ এবং টিআইএন না থাকলে ১৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো। এই কর্তিত অর্থকে ‘চূড়ান্ত কর’ হিসেবে গণ্য করা হতো, যার ফলে প্রকৃত করযোগ্য আয় না থাকা সত্ত্বেও কেটে নেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো আইনি সুযোগ ছিল না। কিন্তু নতুন বিধিমোতাবেক, উৎসে কেটে রাখা এই কর আর চূড়ান্ত কর নয়; বরং তা বিনিয়োগকারীর ‘অগ্রিম কর’ হিসেবে বিবেচিত হবে। বছর শেষে বিনিয়োগকারীর সব ধরনের আয় একত্র করে মোট আয়ের ওপর প্রযোজ্য করহার (১০, ১৫, ২০, ২৫ ও ৩০ শতাংশ) অনুযায়ী চূড়ান্ত কর নিরূপণ করা হবে। এরপর পূর্বে কেটে রাখা অগ্রিম করের সঙ্গে তা সমন্বয় করা হবে। কর্তিত অর্থের চেয়ে প্রকৃত করের দায় কম হলে অতিরিক্ত অর্থ করদাতা ফেরত পাবেন, আর করের দায় বেশি হলে অবশিষ্ট অর্থ সরকারের কোষাগারে জমা দিতে হবে।

নতুন নিয়মে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন তাঁরা, যাঁদের মোট বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমার নিচে। ধরা যাক, একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে ১ লাখ টাকা মুনাফা পেলেন এবং তাঁর ১০ হাজার টাকা উৎসে কর কাটা হলো। যদি তাঁর অন্য কোনো আয় না থাকে এবং বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকে, তবে তাঁর ওপর প্রকৃত করের দায় দাঁড়াবে শূন্য টাকা। ফলে কেটে নেওয়া পুরো ১০ হাজার টাকাই তিনি রিটার্নে দাবি করে ফেরত পাবেন।

তবে যাঁদের অন্যান্য উৎস থেকে উল্লেখযোগ্য আয় রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে মোট আয় বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত কর দিতে হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তির সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ৫ লাখ টাকা (যেখানে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম কর কাটা হয়েছে) এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৪ লাখ টাকা হলে, মোট ৯ লাখ টাকার ওপর স্ল্যাব অনুযায়ী মোট কর দাঁড়াতে পারে ৬০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে পূর্বে ৫০ হাজার টাকা কর্তন থাকায় বাকি ১০ হাজার টাকা তাঁকে নতুন করে পরিশোধ করতে হবে।

সঞ্চয়পত্রের কেটে রাখা কর ফেরত পেতে হলে করদাতাকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে: ১. বিনিয়োগকারীর নিজস্ব টিআইএন (TIN) থাকতে হবে।

২. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

৩. রিটার্নে সঞ্চয়পত্রের মুনাফাসহ সকল আয়ের বিবরণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

৪. সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা সঞ্চয় ব্যুরো থেকে মুনাফার বিপরীতে কেটে রাখা উৎসে কর কর্তনের সনদপত্র (Tax Deduction Certificate) সংযুক্ত করতে হবে।

৫. রিটার্নে করদাতার সক্রিয় ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ রিফান্ডের জন্য স্পষ্ট আবেদন জানাতে হবে।

কর বিভাগের বিধিবিধান অনুযায়ী, রিটার্ন ও দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত ১২০ দিনের মধ্যে প্রাপ্য রিফান্ডের অর্থ সরাসরি করদাতার ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের কথা রয়েছে।

ট্যাগ : সঞ্চয়পত্র কর নিয়ম

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

কথা

এতক্ষণ পর্যন্ত আপনারা হয়তো খেয়াল করেছেন, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কথা বলার সময় আমি সবসময় 'ইনশাআল্লাহ' বলতাম। কিন্তু আজ, এই রাতে আমরা সেই 'ইনশাআল্লাহ'কে …

আবদুল এল-সাইয়েদযুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর

মাদরাসাগুলোতে জঘন্য অনাচারের যত ঘটনা শোনা যায়, তার অধিকাংশই ভুঁইফোঁড়, মানহীন প্রাইভেট মাদরাসা।

শায়খ আহমাদুল্লাহইসলামিক স্কলার

আজ সারা দেশে যে জেন-জি আন্দোলন দেখছি, তার সূচনা হয়েছিল বাংলাদেশে। আমাদের পথ দেখানো এবং তরুণদের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের জন্য আপনাদের (বাংলাদেশিদের) অভিন…

নেহা বোরাপ্রেসিডেন্ট, অল ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন

প্রিয় চাঁদাবাজ ভাইয়েরা, আমাদের জানটার নিরাপত্তা দেন। আমরা আপনাদের নিয়মিত ভিক্ষা দেব, তবুও বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নষ্ট করবেন না। বাংলাদেশের প্রতিটি মো…

হাসনাত আবদুল্লাহসংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪

মিরপুরের টিকাকেন্দ্র-হাসপাতালের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্নির্মাণ এবং ইসিবি চত্বরের স্টুডিও হামলার ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে। মূল হোতাসহ জড়িত সবাইকে দ্রুত আইন…

আসিফ মাহমুদমুখপাত্র, এনসিপি

নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙেছে। এটা অনাকাঙিক্ষত।

রাশেদ খানপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী

গা'জা যু'দ্ধে হাজার হাজার শিশুসহ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় মানবিক সহায়তা ছিল অত্যন্ত সীমিত। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপজুড়ে…

খলিলুর রহমানসভাপতি, সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘ

আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহ'ত্যার বিচার-এই তিনটা দাবি মানলেই কক'টেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীমুখ্য সমন্বয়ক, এনসিপি
সব কথা

সংবাদ সংক্ষেপ

০১/০৩

নারী ক্রিকেটে যৌন হয়রানির অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত দাবি

দেশের নারী ক্রিকেটে যৌন হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে উদ্বেগ জানিয়েছে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স (এনএসএ)। দ্রুত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সম্প্রতি একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ৬৭ জন সাবেক ও বর্তমান নারী ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকারে এসব অভিযোগ উঠে আসে।

এক নজরে পুরো খবর
০২/০৩

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ছাড়াল

দুই দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। পাকা স্বর্ণের দাম বাড়ায় এই সমন্বয়; বুধবার দুপুর থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

এক নজরে পুরো খবর
০৩/০৩

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সড়ক অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ডিএমপি। মিরপুর ও পল্লবীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বাড়তি নজরদারি চলছে।

এক নজরে পুরো খবর
সব সংক্ষেপ
শুক্রবার৬
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

নামাজের সময়সূচি

ঢাকা ও আশপাশ
পরবর্তী নামাজ—
  • ফজর৪:৫০ ভোর
  • সূর্যোদয়৬:০৭ সকাল
  • যোহর১১:৪৪ সকাল
  • আসর৩:৪২ বিকাল
  • মাগরিব৫:১৯ বিকাল
  • এশা৬:৩৫ সন্ধ্যা

সাহরির শেষ ৪:৪৭ ভোরইফতার ৫:১৯ বিকাল

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কর নিয়মে পরিবর্তন: কাটা কর ফেরতের সুযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কর কেটে নেওয়ার প্রচলিত নিয়মে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে কর বিভাগ। এর ফলে সীমিত আয়ের মানুষ, প্রবীণ ও অবসরপ্রাপ্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্থিক স্বস্তির নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভর করে সংসার চালান এবং যাঁদের অন্য কোনো উল্লেখযোগ্য আয় নেই, তাঁরা উৎসে কেটে নেওয়া করের পুরো টাকাই ফেরত পেতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য করদাতাদের অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

অন্যদিকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার পাশাপাশি যাঁদের বেতন, বাড়িভাড়া কিংবা ব্যবসা থেকে নিয়মিত আয় রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সামগ্রিক বার্ষিক আয়ের ওপর ভিত্তি করে করের মোট দায় আগের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

পূর্বে টিআইএনধারী বিনিয়োগকারীদের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বিতরণের সময় ১০ শতাংশ এবং টিআইএন না থাকলে ১৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো। এই কর্তিত অর্থকে ‘চূড়ান্ত কর’ হিসেবে গণ্য করা হতো, যার ফলে প্রকৃত করযোগ্য আয় না থাকা সত্ত্বেও কেটে নেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো আইনি সুযোগ ছিল না। কিন্তু নতুন বিধিমোতাবেক, উৎসে কেটে রাখা এই কর আর চূড়ান্ত কর নয়; বরং তা বিনিয়োগকারীর ‘অগ্রিম কর’ হিসেবে বিবেচিত হবে। বছর শেষে বিনিয়োগকারীর সব ধরনের আয় একত্র করে মোট আয়ের ওপর প্রযোজ্য করহার (১০, ১৫, ২০, ২৫ ও ৩০ শতাংশ) অনুযায়ী চূড়ান্ত কর নিরূপণ করা হবে। এরপর পূর্বে কেটে রাখা অগ্রিম করের সঙ্গে তা সমন্বয় করা হবে। কর্তিত অর্থের চেয়ে প্রকৃত করের দায় কম হলে অতিরিক্ত অর্থ করদাতা ফেরত পাবেন, আর করের দায় বেশি হলে অবশিষ্ট অর্থ সরকারের কোষাগারে জমা দিতে হবে।

নতুন নিয়মে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন তাঁরা, যাঁদের মোট বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমার নিচে। ধরা যাক, একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে ১ লাখ টাকা মুনাফা পেলেন এবং তাঁর ১০ হাজার টাকা উৎসে কর কাটা হলো। যদি তাঁর অন্য কোনো আয় না থাকে এবং বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকে, তবে তাঁর ওপর প্রকৃত করের দায় দাঁড়াবে শূন্য টাকা। ফলে কেটে নেওয়া পুরো ১০ হাজার টাকাই তিনি রিটার্নে দাবি করে ফেরত পাবেন।

তবে যাঁদের অন্যান্য উৎস থেকে উল্লেখযোগ্য আয় রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে মোট আয় বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত কর দিতে হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তির সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ৫ লাখ টাকা (যেখানে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম কর কাটা হয়েছে) এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় ৪ লাখ টাকা হলে, মোট ৯ লাখ টাকার ওপর স্ল্যাব অনুযায়ী মোট কর দাঁড়াতে পারে ৬০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে পূর্বে ৫০ হাজার টাকা কর্তন থাকায় বাকি ১০ হাজার টাকা তাঁকে নতুন করে পরিশোধ করতে হবে।

সঞ্চয়পত্রের কেটে রাখা কর ফেরত পেতে হলে করদাতাকে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে: ১. বিনিয়োগকারীর নিজস্ব টিআইএন (TIN) থাকতে হবে।

২. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

৩. রিটার্নে সঞ্চয়পত্রের মুনাফাসহ সকল আয়ের বিবরণ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

৪. সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা সঞ্চয় ব্যুরো থেকে মুনাফার বিপরীতে কেটে রাখা উৎসে কর কর্তনের সনদপত্র (Tax Deduction Certificate) সংযুক্ত করতে হবে।

৫. রিটার্নে করদাতার সক্রিয় ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ রিফান্ডের জন্য স্পষ্ট আবেদন জানাতে হবে।

কর বিভাগের বিধিবিধান অনুযায়ী, রিটার্ন ও দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত ১২০ দিনের মধ্যে প্রাপ্য রিফান্ডের অর্থ সরাসরি করদাতার ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের কথা রয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ