ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচের ৭৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। হারের শঙ্কাও তখন ঘনিয়ে এসেছিল ইংলিশ শিবিরে। তবে শেষ মুহূর্তে দৃশ্যপট বদলে দেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে দলকে এনে দেন নাটকীয় জয়।
বায়ার্ন মিউনিখের তারকা স্ট্রাইকারের এই জোড়া গোলের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল অ্যান্থনি গর্ডনের। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ইংল্যান্ডের এই ফরোয়ার্ড দুই গোলেই অ্যাসিস্ট করেন। তার পাস থেকেই ম্যাচে ফেরে ইংল্যান্ড, আর শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
রোমাঞ্চকর জয়ের পর অধিনায়ক কেইনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন গর্ডন। তার মতে, বর্তমান ফুটবলে কেইনের পারফরম্যান্স এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যার তুলনা শুধু লিওনেল মেসির সঙ্গেই করা যায়।
গর্ডন বলেন, কেইনের সঙ্গে খেলতে পারাটা দারুণ অভিজ্ঞতা। বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ের একজন খেলোয়াড়কে কাছ থেকে দেখা সত্যিই বিশেষ কিছু। তার মতে, কেইন এমন এক মৌসুম কাটাচ্ছেন, যা এর আগে শুধু মেসির মতো ফুটবলারই করে দেখিয়েছেন।
৮৬ মিনিটে গর্ডনের পাস থেকে কেইনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল ম্যাচের সবচেয়ে চোখধাঁধানো মুহূর্ত। বক্সের মাঝ থেকে ডান দিকে সরে গিয়ে জোরাল শটে বল জালে জড়ান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। কঙ্গোর গোলরক্ষক শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেন বলটি জালে ঢুকে যাচ্ছে।
সেই গোল নিয়ে গর্ডন বলেন, শট নেওয়ার মুহূর্তেই তিনি বুঝে গিয়েছিলেন এটি গোল হতে যাচ্ছে। তাই আগেভাগেই উদযাপন শুরু করেন তিনি। তার ভাষায়, অনেকেই ভালো গোল করতে পারে, কিন্তু দিনের পর দিন একই ধারাবাহিকতায় এমন নিখুঁত ফিনিশিং দেখানোই কেইনকে আলাদা করে তোলে।
এই জয়ে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল ইংল্যান্ড। আর শেষ মুহূর্তের জোড়া গোলে আবারও প্রমাণ করলেন, বড় মঞ্চে এখনো ইংল্যান্ডের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম হ্যারি কেইন।
মন্তব্যসমূহ