এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ পয়েন্ট। তবে একই সময়ে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ২৭৬ জন।
এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ পেয়েছেন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬১০। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পরে শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
সামগ্রিকভাবে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছর সামগ্রিক পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। অর্থাৎ এবার পাসের হার ও সর্বোচ্চ জিপিএ অর্জন—দুই ক্ষেত্রেই সংখ্যা কমেছে।
চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন। সারা দেশে ২ হাজার ৭৬০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২ জুলাই এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা মিলিয়ে মূল সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে পিছিয়ে যাওয়া পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।
মন্তব্যসমূহ