বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) না পাওয়ার তীব্র অভিযোগের মধ্যেই এলপিজির বিভিন্ন স্তরের চার্জ ও ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল কমিশন।
কোম্পানি ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অনুযায়ী, এলপিজি পরিচালনাকারীরা বোতলজাতকরণ চার্জ প্রতি কেজিতে বিদ্যমান ১৫ থেকে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ থেকে ৩০ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে ডিস্ট্রিবিউটরদের চার্জ প্রতি কেজিতে ৪ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৩ পয়সা এবং খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ ৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করার প্রস্তাব এসেছে। এ ছাড়া কমিশন হিসেবে প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারে ডিস্ট্রিবিউটররা বিদ্যমান ৫০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতারা ৪৫ টাকার পরিবর্তে ৭০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।
বিইআরসি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও ব্যবসায়ীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এদিকে পরিবহন ব্যয়, গুদামভাড়া ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে এর আগে দেশব্যাপী দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি।
সারাদেশে সরবরাহ সংকট এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদের তদন্ত ও বাজার তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ২৯ অক্টোবরের গণশুনানি শেষে নতুন ব্যয়ভার সমন্বিত হলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়বে কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ