ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে আরও এগিয়ে নিতে জার্মানির লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১০টি এয়ারবাস কেনার প্রক্রিয়ায় দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই পক্ষ বিমান যোগাযোগ বাড়ানো এবং পর্যটন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভিত্তি করে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

লুফথানসাকে বিশ্বের প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেইনটেনেন্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) স্থাপনে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতেও লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে।

বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল স্ট্যাটাস’ নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশে আসা কার্গোর ক্ষেত্রে এই স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে সব পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এ কারণে এইচআরসিএম প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি সইয়ের জন্য সরকার কাজ করছে বলে জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারির সময় এগিয়ে আনা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করে তিনি ২০৩০ সালের আগেই ডেলিভারি শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকের শেষ দিকে বাংলাদেশ ও জার্মানির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয়পক্ষ নিজেদের আগ্রহের কথা জানায়।

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে আরও এগিয়ে নিতে জার্মানির লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১০টি এয়ারবাস কেনার প্রক্রিয়ায় দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই পক্ষ বিমান যোগাযোগ বাড়ানো এবং পর্যটন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভিত্তি করে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

লুফথানসাকে বিশ্বের প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশের অ্যাভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেইনটেনেন্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) স্থাপনে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতেও লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে।

বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল স্ট্যাটাস’ নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশে আসা কার্গোর ক্ষেত্রে এই স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে সব পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এ কারণে এইচআরসিএম প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি সইয়ের জন্য সরকার কাজ করছে বলে জানান এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারির সময় এগিয়ে আনা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করে তিনি ২০৩০ সালের আগেই ডেলিভারি শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকের শেষ দিকে বাংলাদেশ ও জার্মানির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয়পক্ষ নিজেদের আগ্রহের কথা জানায়।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ