ঢাকা    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জনগণের আস্থা অর্জন করে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে হবে: আইজিপি

জনগণের আস্থা অর্জন করে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে হবে: আইজিপি
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

পেশাদারিত্বের পাশাপাশি মানবিকতা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে জনগণের পাশে থেকে পুলিশি সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের মাল্টিপারপাস হলে ‘কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আইজিপি বলেন, জনমুখী পুলিশিংয়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা। সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারত্বে রূপান্তরের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরাপদ সমাজ গঠনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং আরও কার্যকর হবে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি জনগণের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ।

আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সততা, ন্যায়সংগত আচরণ ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে জনগণকে সেবা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

অপরাধ প্রতিরোধে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক যত বেশি কার্যকর হবে, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সুফল তত বেশি পাওয়া যাবে।

এ সময় কমিউনিটি পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন আইজিপি। তিনি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘প্রথম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর কথাও উল্লেখ করেন।

আইজিপি বলেন, কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা ও দেশের ক্রীড়া ঐতিহ্যের অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর অতিরিক্ত আইজি কাজী মো. ফজলুল করিম। তিনি ‘বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন: একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে’ শীর্ষক একটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্রবন্ধে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংয়ের বিদ্যমান অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ কার্যক্রমকে আরও প্রতিরোধমূলক, জবাবদিহিমূলক, তথ্যনির্ভর এবং জনসম্পৃক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের ভাইস-রেক্টর ড. মো. আব্দুস সোবহান। তারা মাঠপর্যায়ে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বাস্তব দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

কর্মশালায় মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামত ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকরভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।

দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় বাংলাদেশ পুলিশের 

ট্যাগ : বাংলাদেশ পুলিশ আইজিপি

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জনগণের আস্থা অর্জন করে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে হবে: আইজিপি

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পেশাদারিত্বের পাশাপাশি মানবিকতা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে জনগণের পাশে থেকে পুলিশি সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের মাল্টিপারপাস হলে ‘কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আইজিপি বলেন, জনমুখী পুলিশিংয়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা। সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারত্বে রূপান্তরের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরাপদ সমাজ গঠনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং আরও কার্যকর হবে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি জনগণের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ।

আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সততা, ন্যায়সংগত আচরণ ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে জনগণকে সেবা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

অপরাধ প্রতিরোধে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক যত বেশি কার্যকর হবে, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সুফল তত বেশি পাওয়া যাবে।

এ সময় কমিউনিটি পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন আইজিপি। তিনি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত ‘প্রথম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর কথাও উল্লেখ করেন।

আইজিপি বলেন, কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা ও দেশের ক্রীড়া ঐতিহ্যের অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর অতিরিক্ত আইজি কাজী মো. ফজলুল করিম। তিনি ‘বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন: একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে’ শীর্ষক একটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্রবন্ধে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংয়ের বিদ্যমান অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ কার্যক্রমকে আরও প্রতিরোধমূলক, জবাবদিহিমূলক, তথ্যনির্ভর এবং জনসম্পৃক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের ভাইস-রেক্টর ড. মো. আব্দুস সোবহান। তারা মাঠপর্যায়ে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বাস্তব দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

কর্মশালায় মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামত ও সুপারিশ পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকরভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।

দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় বাংলাদেশ পুলিশের 


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ