ফিফা আসিয়ান কাপের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি বাংলাদেশের। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পরও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি হতাশ নন বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের কোচ দুই দলের শক্তির পার্থক্যের কথা তুলে ধরেন। ডুলি বলেন, র্যাংকিংয়েও দুই দলের অবস্থানের ব্যবধান রয়েছে। বাংলাদেশ যেখানে ১৮০তম অবস্থানে, সেখানে মালয়েশিয়া রয়েছে অনেক ওপরে।
হারলেও ম্যাচ থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছেন ডুলি। তার মতে, বাংলাদেশ এই ধরনের ম্যাচ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চায় এবং প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে।
মালয়েশিয়ার আক্রমণভাগের প্রশংসা করে বাংলাদেশের কোচ বলেন, ম্যাচে তার দল প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি সুযোগ কম দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে মালয়েশিয়ার আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের দক্ষতা ও মানের কারণে দুই দলের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এদিকে প্রায় তিন সপ্তাহ অনুশীলনের পরও দলের ফিটনেসে ঘাটতি ছিল বলে স্বীকার করেছেন ডুলি। ম্যাচের শেষদিকে খেলোয়াড়দের ক্লান্ত হয়ে পড়া এবং পেশিতে টান ধরার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের কোচের মতে, শেষ দিকে শারীরিক ক্লান্তির কারণে খেলোয়াড়দের ভুলের সংখ্যাও বেড়ে যায়। তার ভাষায়, ফুটবলে এমন পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দুই দলের সামগ্রিক পার্থক্যটি পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে হার দিয়ে শুরু করলেও সামনে পাওয়া অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের উন্নতির দিকে নজর দিতে চায় বাংলাদেশ।
মন্তব্যসমূহ