ঢাকা    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান ভারতের

চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান ভারতের
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ সীমান্ত কমিশন কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক বিরোধ দেখা দিয়েছে। ইসলামাবাদ ও বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। নয়াদিল্লির দাবি, বিতর্কিত ভূখণ্ডকে কেন্দ্র করে গঠিত এ ধরনের ব্যবস্থার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

সম্প্রতি ইসলামাবাদে পাকিস্তান-চীন বাউন্ডারি জয়েন্ট কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তান বলছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ, বাণিজ্য প্রবাহ এবং দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ আরও কার্যকর করতেই এই কমিশন চালু করা হয়েছে। ইসলামাবাদ এটিকে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবেও উল্লেখ করেছে।

তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো বৈধ সীমান্ত রয়েছে বলে ভারত স্বীকার করে না। ফলে এই যৌথ কমিশনেরও কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে নয়াদিল্লির অবস্থান।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে শাকসগাম উপত্যকাসহ কাশ্মীর ও লাদাখের কয়েকটি এলাকা। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে একটি সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকা পাঁচ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি ভূখণ্ড চীনের নিয়ন্ত্রণে যায়। ভারত শুরু থেকেই ওই চুক্তির বৈধতা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

নয়াদিল্লির দাবি, শাকসগাম উপত্যকা তৎকালীন জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ এবং বর্তমানে এটি ভারতের দাবিকৃত ভূখণ্ড। ভারতের বক্তব্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকা এ ধরনের এলাকা নিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি করার আইনগত অধিকার ইসলামাবাদের নেই।

অন্যদিকে পাকিস্তান কাশ্মীরকে একটি অমীমাংসিত ও বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করে। চীন ও পাকিস্তানের দৃষ্টিতে ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তির ভিত্তিতেই দুই দেশের সীমান্তসংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হয়ে আসছে।

নতুন কমিশনের মাধ্যমে সীমান্ত চিহ্নিতকরণ, সীমান্ত পিলার রক্ষণাবেক্ষণ, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় পারস্পরিক সমন্বয় আরও প্রাতিষ্ঠানিক করার সুযোগ তৈরি হবে বলে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

১৯৬৩ সালের চুক্তিতে কাশ্মীর বিরোধের ভবিষ্যৎ নিষ্পত্তির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের পর সংশ্লিষ্ট ভূখণ্ডের সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন হলে চীনের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি নিয়ে পুনরায় আলোচনা করতে পারবে।

এদিকে ভারত চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসিরও বিরোধিতা করে আসছে। প্রকল্পটির একটি অংশ পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় এটিকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় হিসেবে দেখে নয়াদিল্লি।

ভারত বলছে, পাকিস্তান ও চীনের নতুন সীমান্ত সহযোগিতা ওই ভূখণ্ডের ওপর নয়াদিল্লির দাবিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না। অন্যদিকে বেইজিং ও ইসলামাবাদের কাছে কমিশনটি মূলত বিদ্যমান সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক করার একটি কাঠামো।

ফলে যৌথ সীমান্ত কমিশন কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে চীন-পাকিস্তান সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যুক্ত হলেও কাশ্মীর ও শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের দীর্ঘদিনের ভিন্ন অবস্থান আবারও সামনে এসেছে।

সূত্র: ডন

ট্যাগ : ভারত পাকিস্তান চীন

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

আরও পড়ুন

আন্তর্জাতিক

কথা

এতক্ষণ পর্যন্ত আপনারা হয়তো খেয়াল করেছেন, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কথা বলার সময় আমি সবসময় 'ইনশাআল্লাহ' বলতাম। কিন্তু আজ, এই রাতে আমরা সেই 'ইনশাআল্লাহ'কে …

আবদুল এল-সাইয়েদযুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর

মাদরাসাগুলোতে জঘন্য অনাচারের যত ঘটনা শোনা যায়, তার অধিকাংশই ভুঁইফোঁড়, মানহীন প্রাইভেট মাদরাসা।

শায়খ আহমাদুল্লাহইসলামিক স্কলার

আজ সারা দেশে যে জেন-জি আন্দোলন দেখছি, তার সূচনা হয়েছিল বাংলাদেশে। আমাদের পথ দেখানো এবং তরুণদের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের জন্য আপনাদের (বাংলাদেশিদের) অভিন…

নেহা বোরাপ্রেসিডেন্ট, অল ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন

প্রিয় চাঁদাবাজ ভাইয়েরা, আমাদের জানটার নিরাপত্তা দেন। আমরা আপনাদের নিয়মিত ভিক্ষা দেব, তবুও বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নষ্ট করবেন না। বাংলাদেশের প্রতিটি মো…

হাসনাত আবদুল্লাহসংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪

মিরপুরের টিকাকেন্দ্র-হাসপাতালের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্নির্মাণ এবং ইসিবি চত্বরের স্টুডিও হামলার ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে। মূল হোতাসহ জড়িত সবাইকে দ্রুত আইন…

আসিফ মাহমুদমুখপাত্র, এনসিপি

নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভেঙেছে। এটা অনাকাঙিক্ষত।

রাশেদ খানপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী

গা'জা যু'দ্ধে হাজার হাজার শিশুসহ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় মানবিক সহায়তা ছিল অত্যন্ত সীমিত। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপজুড়ে…

খলিলুর রহমানসভাপতি, সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘ

আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহ'ত্যার বিচার-এই তিনটা দাবি মানলেই কক'টেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীমুখ্য সমন্বয়ক, এনসিপি
সব কথা

সংবাদ সংক্ষেপ

০১/০৩

নারী ক্রিকেটে যৌন হয়রানির অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত দাবি

দেশের নারী ক্রিকেটে যৌন হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে উদ্বেগ জানিয়েছে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স (এনএসএ)। দ্রুত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সম্প্রতি একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ৬৭ জন সাবেক ও বর্তমান নারী ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকারে এসব অভিযোগ উঠে আসে।

এক নজরে পুরো খবর
০২/০৩

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ছাড়াল

দুই দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বেড়ে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। পাকা স্বর্ণের দাম বাড়ায় এই সমন্বয়; বুধবার দুপুর থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

এক নজরে পুরো খবর
০৩/০৩

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সড়ক অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ডিএমপি। মিরপুর ও পল্লবীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বাড়তি নজরদারি চলছে।

এক নজরে পুরো খবর
সব সংক্ষেপ
রবিবার৮
  • ০৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

নামাজের সময়সূচি

ঢাকা ও আশপাশ
পরবর্তী নামাজ—
  • ফজর৪:৫১ ভোর
  • সূর্যোদয়৬:০৮ সকাল
  • যোহর১১:৪৪ সকাল
  • আসর৩:৪১ বিকাল
  • মাগরিব৫:১৮ বিকাল
  • এশা৬:৩৪ সন্ধ্যা

সাহরির শেষ ৪:৪৮ ভোরইফতার ৫:১৮ বিকাল

বাংলা ভিউজ

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান ভারতের

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ সীমান্ত কমিশন কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক বিরোধ দেখা দিয়েছে। ইসলামাবাদ ও বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। নয়াদিল্লির দাবি, বিতর্কিত ভূখণ্ডকে কেন্দ্র করে গঠিত এ ধরনের ব্যবস্থার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

সম্প্রতি ইসলামাবাদে পাকিস্তান-চীন বাউন্ডারি জয়েন্ট কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তান বলছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ, বাণিজ্য প্রবাহ এবং দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ আরও কার্যকর করতেই এই কমিশন চালু করা হয়েছে। ইসলামাবাদ এটিকে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবেও উল্লেখ করেছে।

তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো বৈধ সীমান্ত রয়েছে বলে ভারত স্বীকার করে না। ফলে এই যৌথ কমিশনেরও কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে নয়াদিল্লির অবস্থান।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে শাকসগাম উপত্যকাসহ কাশ্মীর ও লাদাখের কয়েকটি এলাকা। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে একটি সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকা পাঁচ হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি ভূখণ্ড চীনের নিয়ন্ত্রণে যায়। ভারত শুরু থেকেই ওই চুক্তির বৈধতা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

নয়াদিল্লির দাবি, শাকসগাম উপত্যকা তৎকালীন জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ এবং বর্তমানে এটি ভারতের দাবিকৃত ভূখণ্ড। ভারতের বক্তব্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকা এ ধরনের এলাকা নিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি করার আইনগত অধিকার ইসলামাবাদের নেই।

অন্যদিকে পাকিস্তান কাশ্মীরকে একটি অমীমাংসিত ও বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করে। চীন ও পাকিস্তানের দৃষ্টিতে ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তির ভিত্তিতেই দুই দেশের সীমান্তসংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হয়ে আসছে।

নতুন কমিশনের মাধ্যমে সীমান্ত চিহ্নিতকরণ, সীমান্ত পিলার রক্ষণাবেক্ষণ, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় পারস্পরিক সমন্বয় আরও প্রাতিষ্ঠানিক করার সুযোগ তৈরি হবে বলে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

১৯৬৩ সালের চুক্তিতে কাশ্মীর বিরোধের ভবিষ্যৎ নিষ্পত্তির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের পর সংশ্লিষ্ট ভূখণ্ডের সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন হলে চীনের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি নিয়ে পুনরায় আলোচনা করতে পারবে।

এদিকে ভারত চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসিরও বিরোধিতা করে আসছে। প্রকল্পটির একটি অংশ পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় এটিকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় হিসেবে দেখে নয়াদিল্লি।

ভারত বলছে, পাকিস্তান ও চীনের নতুন সীমান্ত সহযোগিতা ওই ভূখণ্ডের ওপর নয়াদিল্লির দাবিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না। অন্যদিকে বেইজিং ও ইসলামাবাদের কাছে কমিশনটি মূলত বিদ্যমান সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক করার একটি কাঠামো।

ফলে যৌথ সীমান্ত কমিশন কার্যকর হওয়ার মধ্য দিয়ে চীন-পাকিস্তান সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যুক্ত হলেও কাশ্মীর ও শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের দীর্ঘদিনের ভিন্ন অবস্থান আবারও সামনে এসেছে।

সূত্র: ডন


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ