জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ গলার হার বাড়তে থাকলে বাংলাদেশের নিম্নাঞ্চলে প্লাবন এবং লবণাক্ততার ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
সোমবার সন্ধ্যায় ২৫০ শয্যার ফেনী জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশও এ ইস্যুতে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে এ বিষয়ে জোরালো অবস্থান নেওয়া হবে।
আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, নেপালের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়েছে। নেপালে পর্বত থাকলেও বাংলাদেশে সে ধরনের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নেই। তবে বরফ গলার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে বাংলাদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে পারে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ত পানির প্রবেশও বাড়তে পারে।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে, তাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা আরও কার্যকর হওয়া দরকার। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামে এ দাবি দৃঢ়ভাবে তুলে ধরবে।
এর আগে পরিবেশমন্ত্রী ফেনী জেনারেল হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় চিকিৎসক, নার্স, রোগী ও তাদের স্বজনরা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের কথা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা প্রশাসক মাহবুবুল করিম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান এবং হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক মোবারক হোসেন দুলাল উপস্থিত ছিলেন।