সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার দাবি, বিদেশি হামলার মুখে ইরানি বাহিনীর প্রতিরোধ দেশটির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।
বুধবার এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের পেছনে থাকা পক্ষগুলো দ্রুত রাজনৈতিক পরিবর্তনের আশা করেছিল। তবে বাস্তবে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হতে দেয়নি।
রাষ্ট্রপতির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের ধারণা ছিল অল্প সময়ের মধ্যেই তারা নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে। কিন্তু ইরানি বাহিনীর প্রতিরোধের কারণে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয় এবং আক্রমণকারীদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাদের এই অবস্থান জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে এবং জাতীয় ঐক্যকে আরও দৃঢ় করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের রাজনৈতিক দিকও উঠে আসে। তিনি বলেন, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পর বর্তমানে বিভিন্ন পক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিরসনের পথ খুঁজছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত শুধু সামরিক নয়, কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সংলাপ এবং সমঝোতার প্রচেষ্টা ভবিষ্যৎ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা