যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বাড়ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে নতুন পারমাণবিক চুক্তির চেষ্টা করলেও এখন সেই সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি নাও হতে পারে।
তিনি জানান, কূটনৈতিক সমাধান সম্ভব না হলে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।
ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, তেহরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছে।
ক্রিস রাইট বলেন, ইরান যাতে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি বা ব্যবহার করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে। তবে ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন এলে ভবিষ্যতে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে জুলাই মাসে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা, তেলবাহী জাহাজ নিয়ে বিরোধ এবং পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিস্থিতিকে ‘খুব বড় বিষয় নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে এখনই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বলা ঠিক হবে না।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে, প্রয়োজনে তাদের মিত্র দেশগুলোও ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থানে পাশে দাঁড়াবে।
সূত্র: আল জাজিরা