আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) ১২ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত দিনটি বাংলাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশে ১৫ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হয়।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জীবন ও শিক্ষা সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির আদর্শ হিসেবে মুসলিম উম্মাহর কাছে অনুসরণীয়। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-আম্বিয়ার ১০৭ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণের কথা বলেছেন।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকার জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং দেশের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের কর্মসূচি রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনও মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও শিক্ষা তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার শিক্ষা অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ ও অনুসরণীয় আদর্শ।
রাষ্ট্রপতি মঙ্গলবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন।
আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ স্মরণ করছেন। বিভিন্ন স্থানে আলোচনা, দোয়া, মিলাদ এবং সিরাতবিষয়ক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর শান্তি, ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা তুলে ধরা হচ্ছে।
মন্তব্যসমূহ