ঢাকা    শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

রাজনৈতিক দূরত্ব থাকলেও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আশা ভারতের

রাজনৈতিক দূরত্ব থাকলেও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আশা ভারতের
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কিছু টানাপোড়েন থাকলেও দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা বিষয়ে মতপার্থক্য বা সমস্যা থাকতে পারে। তবে উভয় দেশের সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা শক্তিশালী হলে অন্যান্য ক্ষেত্রের সম্পর্কও ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদন কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক উৎপাদনে এগিয়ে রয়েছে। ভারত থেকে জিপার, বোতাম ও পোশাক তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর সরবরাহ ব্যবস্থা ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রশংসা করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের বাজারে গিয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখলে তার ভালো লাগে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পকে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের স্থলবন্দরগুলো আরও কার্যকর করা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর উদ্যোগ এবং স্থলপথে ভারত থেকে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে কীভাবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ট্যাগ : বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ভারতীয় হাইকমিশনার

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


রাজনৈতিক দূরত্ব থাকলেও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আশা ভারতের

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কিছু টানাপোড়েন থাকলেও দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নানা বিষয়ে মতপার্থক্য বা সমস্যা থাকতে পারে। তবে উভয় দেশের সাধারণ মানুষ উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা শক্তিশালী হলে অন্যান্য ক্ষেত্রের সম্পর্কও ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ ও উৎপাদন কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক উৎপাদনে এগিয়ে রয়েছে। ভারত থেকে জিপার, বোতাম ও পোশাক তৈরির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর সরবরাহ ব্যবস্থা ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রশংসা করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের বাজারে গিয়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখলে তার ভালো লাগে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পকে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের স্থলবন্দরগুলো আরও কার্যকর করা, বন্ধ থাকা সীমান্ত হাট পুনরায় চালুর উদ্যোগ এবং স্থলপথে ভারত থেকে সুতা আমদানির ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে কীভাবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ