ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকে শিক্ষা, গবেষণা, ডুয়াল ডিগ্রি, সাংবিধানিক আইন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মার্কিন দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের পাবলিক এনগেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক স্কট হার্টম্যান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। তার সঙ্গে ছিলেন জেমস এ. স্টুয়ার্ট, রায়হানা সুলতানা, ফারোহা সোহরাওয়ার্দী, মো. ইকবাল মাহমুদ এবং এ. কিউ. এম. মুশফিক হাসান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বৈঠকে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশীদ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সহযোগিতায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়।
এ ছাড়া মার্কিন বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার ও পাবলিক লেকচার আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়। সাংবিধানিক আইন বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে।
বৈঠকে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডুয়াল ডিগ্রি প্রোগ্রাম চালুর সম্ভাব্যতা নিয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন একাডেমিক সুযোগ তৈরি করতে পারে।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুঘল আমলের ঐতিহাসিক মুসা খান মসজিদের পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য মার্কিন দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা ও যৌথ প্রকল্প গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্তব্যসমূহ