আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একদিকে অর্থনৈতিক ও পর্যটন সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ব্রিকস জোটের দেশগুলোর মধ্যে পর্যটন খাতের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান।
‘ব্রিকস পর্যটন সম্মেলন ২০২৬’-এ অংশ নিতে বৃহস্পতিবার ভারতে পৌঁছেছেন ইরানের সংস্কৃতিমন্ত্রী রেজা সালেহি আমিরি। সফরকালে ভারতের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।
ইরানের সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ব্রিকস বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান জোট। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও ইরানকে নিয়ে গঠিত এই জোটের মাধ্যমে পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো সম্ভব।
তেহরান আশা করছে, এই বৈঠকের মাধ্যমে ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যটন বিনিময়, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
এদিকে অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি পরিস্থিতি নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে তুরস্ক, মিসর ও কাতার।
বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশ তিনটি জানায়, এ ধরনের সামরিক তৎপরতা চলমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো জানিয়েছে, গাজা সংঘাত বন্ধে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চললেও নতুন করে সহিংসতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।
আন্তর্জাতিক মহলের প্রত্যাশা, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে গাজা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি হবে এবং একই সঙ্গে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্যসমূহ