বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিজের জীবনের ‘সবচেয়ে বড় অর্জন’ বলে উল্লেখ করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্ত্রীর সাহস, ত্যাগ ও অবিচল সমর্থনের কথা স্মরণ করতে গিয়ে আবেগঘন মন্তব্য করেন তিনি।
ফখরুল বলেন, রাজনৈতিক জীবনের নানা কঠিন সময়ে তার স্ত্রী সবসময় পাশে থেকেছেন। বিশেষ করে গ্রেপ্তার, মামলা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় তিনি যে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, তা তাকে শক্তি জুগিয়েছে।
একটি ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, পুলিশ যখন তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন রাহাত আরা বেগম ভেঙে না পড়ে সাহসের সঙ্গে তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে দিয়েছিলেন। সেই মুহূর্তের দৃঢ়তা এখনও তার মনে গভীরভাবে গেঁথে আছে।
স্ত্রীর অসুস্থতার সময়কার অভিজ্ঞতাও এর আগে প্রকাশ্যে শেয়ার করেছিলেন মির্জা ফখরুল। ২০২৫ সালে এক লেখায় তিনি জানান, রাহাত আরা বেগম গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতির মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলেও সে সময় তিনি উল্লেখ করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে পরিবারের ওপর যে চাপ গেছে, সেই প্রসঙ্গ তুলে ফখরুল বলেন, তার স্ত্রী শুধু পারিবারিক দায়িত্বই সামলাননি, বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাকে মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে সহায়তা করেছেন।
রাহাত আরা বেগমকে নিজের জীবনের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সাফল্য বা পদ-পদবির চেয়েও জীবনে তার স্ত্রীর অবদান অনেক বড়।
মির্জা ফখরুল ও রাহাত আরা বেগমের দুই মেয়ে রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি পারিবারিক পরিসরেও তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে।
মন্তব্যসমূহ