ঢাকা    শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ইরানের দ্রুতগতির নৌবহর নিয়ে যা বললেন পুতিন

ইরানের দ্রুতগতির নৌবহর নিয়ে যা বললেন পুতিন
ইরানের ‘মশা নৌবহর’। সংগৃহীত ছবি
ফলো করুন

ইরানের কথিত ‘মশা নৌবহর’ বা ‘মসকুইটো ফ্লিটের’ কার্যকারিতার প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছোট ও দ্রুতগতির নৌযান ব্যবহার করে আকস্মিক হামলার পর দ্রুত অবস্থান পরিবর্তনের এই কৌশল বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

রোববার রুশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান ছোট আকারের কিন্তু আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত নৌযান ব্যবহার করে কার্যকর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের দিকে তাকান। ইরান তাদের মশা নৌবহর ব্যবহার করে বেশ কার্যকরভাবে যুদ্ধ করেছে। এটি নতুন প্রযুক্তির বিষয়। আমাদের কাছেও ছোট টন ধারণক্ষমতার জাহাজ রয়েছে, তবে সেগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।’

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের এই নৌবহরে প্রায় ২০টি গাদির-শ্রেণির ছোট সাবমেরিন এবং বিপুলসংখ্যক দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ও আক্রমণকারী স্পিডবোট রয়েছে।

আকারে ছোট, দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং উপকূলীয় এলাকায় স্বল্প সময়ে মোতায়েনযোগ্য হওয়ায় এসব নৌযান বড় যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালাতে পারে। এই কৌশলকে সামরিক পরিভাষায় ‘সোয়ার্ম অ্যাটাক’ বা ঝাঁকবদ্ধ আক্রমণ বলা হয়।

ইরানের পাথুরে উপকূলে নির্মিত ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি ও সুড়ঙ্গে এসব নৌযান লুকিয়ে রাখা সম্ভব। ফলে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা বিমান হামলার মাধ্যমে এগুলো শনাক্ত ও ধ্বংস করা কঠিন বলে মনে করেন সামরিক বিশ্লেষকেরা।

তবে ইরানের নৌবহরে নৌযানের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে সেগুলোর কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পুটনিকের দেওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র: স্পুটনিক ও তাসনিম

ট্যাগ : মধ্যপ্রাচ্য সংকট ইরানের খবর ভ্লাদিমির পুতিন

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইরানের দ্রুতগতির নৌবহর নিয়ে যা বললেন পুতিন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইরানের কথিত ‘মশা নৌবহর’ বা ‘মসকুইটো ফ্লিটের’ কার্যকারিতার প্রশংসা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছোট ও দ্রুতগতির নৌযান ব্যবহার করে আকস্মিক হামলার পর দ্রুত অবস্থান পরিবর্তনের এই কৌশল বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

রোববার রুশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরান ছোট আকারের কিন্তু আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত নৌযান ব্যবহার করে কার্যকর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের দিকে তাকান। ইরান তাদের মশা নৌবহর ব্যবহার করে বেশ কার্যকরভাবে যুদ্ধ করেছে। এটি নতুন প্রযুক্তির বিষয়। আমাদের কাছেও ছোট টন ধারণক্ষমতার জাহাজ রয়েছে, তবে সেগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।’

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের এই নৌবহরে প্রায় ২০টি গাদির-শ্রেণির ছোট সাবমেরিন এবং বিপুলসংখ্যক দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ও আক্রমণকারী স্পিডবোট রয়েছে।

আকারে ছোট, দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং উপকূলীয় এলাকায় স্বল্প সময়ে মোতায়েনযোগ্য হওয়ায় এসব নৌযান বড় যুদ্ধজাহাজের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালাতে পারে। এই কৌশলকে সামরিক পরিভাষায় ‘সোয়ার্ম অ্যাটাক’ বা ঝাঁকবদ্ধ আক্রমণ বলা হয়।

ইরানের পাথুরে উপকূলে নির্মিত ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি ও সুড়ঙ্গে এসব নৌযান লুকিয়ে রাখা সম্ভব। ফলে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা বিমান হামলার মাধ্যমে এগুলো শনাক্ত ও ধ্বংস করা কঠিন বলে মনে করেন সামরিক বিশ্লেষকেরা।

তবে ইরানের নৌবহরে নৌযানের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে সেগুলোর কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পুটনিকের দেওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র: স্পুটনিক ও তাসনিম


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ