ঢাকা    শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

যুবদল কর্মী ইউসুফ হত্যা মামলায় চার আসামির স্বীকারোক্তি

যুবদল কর্মী ইউসুফ হত্যা মামলায় চার আসামির স্বীকারোক্তি
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

রাজধানীর কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

সোমবার, ২৭ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের উপপরিদর্শক রায়হান হোসাইন সাত আসামিকে আদালতে হাজির করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জিহাদ মোল্লা, জিয়ারুল মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ, নাহিদ হাসান ও আবির হাওলাদারের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন জানান। এ ছাড়া আলী হোসেন ও শাফিন আহমেদকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জিহাদ মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ, নাহিদ হাসান ও আবির হাওলাদার পৃথক চারজন মহানগর হাকিমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে জিয়ারুল মোল্লাকে জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে নেওয়া হলেও তিনি স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হননি। পরে তাকেও কারাগারে পাঠানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আলী হোসেন ও শাফিন আহমেদকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক ওয়াজেদ আলী খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২৬ জুলাই মিরপুর-১৩ নম্বরের পাঁচতলা মোড়সংলগ্ন একটি গ্যারেজ থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২৪ জুলাই রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানা এলাকায় বিএনপির স্থানীয় নেতা মো. হাফিজুল ইসলাম বাবু, ইউসুফ এবং আরও কয়েকজন কথা বলছিলেন। এ সময় চঞ্চল ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গুলি ইউসুফের বুকের ডান পাশে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও পথচারী মো. মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। আহত তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইউসুফ মারা যান।

ঘটনার পর পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন চঞ্চল মোল্যাকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। তল্লাশি করে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও চারটি গুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে চঞ্চল কয়েকজন সহযোগীর নাম প্রকাশ করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অস্ত্র আইনে একটি মামলা করে। পরে ইউসুফের ভাই বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

ট্যাগ : হত্যা মামলা যুবদল আদালত

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


যুবদল কর্মী ইউসুফ হত্যা মামলায় চার আসামির স্বীকারোক্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজধানীর কাফরুলে যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

সোমবার, ২৭ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের উপপরিদর্শক রায়হান হোসাইন সাত আসামিকে আদালতে হাজির করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জিহাদ মোল্লা, জিয়ারুল মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ, নাহিদ হাসান ও আবির হাওলাদারের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন জানান। এ ছাড়া আলী হোসেন ও শাফিন আহমেদকে কারাগারে রাখার আবেদন করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জিহাদ মোল্লা, মাসুম বিল্লাহ, নাহিদ হাসান ও আবির হাওলাদার পৃথক চারজন মহানগর হাকিমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে জিয়ারুল মোল্লাকে জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে নেওয়া হলেও তিনি স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হননি। পরে তাকেও কারাগারে পাঠানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আলী হোসেন ও শাফিন আহমেদকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক ওয়াজেদ আলী খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২৬ জুলাই মিরপুর-১৩ নম্বরের পাঁচতলা মোড়সংলগ্ন একটি গ্যারেজ থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২৪ জুলাই রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানা এলাকায় বিএনপির স্থানীয় নেতা মো. হাফিজুল ইসলাম বাবু, ইউসুফ এবং আরও কয়েকজন কথা বলছিলেন। এ সময় চঞ্চল ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

গুলি ইউসুফের বুকের ডান পাশে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও পথচারী মো. মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। আহত তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইউসুফ মারা যান।

ঘটনার পর পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন চঞ্চল মোল্যাকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। তল্লাশি করে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও চারটি গুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে চঞ্চল কয়েকজন সহযোগীর নাম প্রকাশ করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অস্ত্র আইনে একটি মামলা করে। পরে ইউসুফের ভাই বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ