আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) দখল ও নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দিতে পারে—এমন কোনো শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করবে না সুদানের সেনাবাহিনী-সমর্থিত সরকার।
সুদানের সার্বভৌম পরিষদের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা আমজাদ ফারিদ আল-তাইয়্যেব আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সুদানের জনগণকে আরএসএফের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কাছে তুলে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে লিবিয়ার মতো দেশকে বিভক্ত করার কোনো প্রচেষ্টাও মেনে নেওয়া হবে না।
বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আল-তাইয়্যেব বলেন, উত্তর কর্দোফান রাজ্যের রাজধানী এল-ওবেইদ এখন সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তার অভিযোগ, উত্তর দারফুরের এল-ফাশেরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মতো পরিস্থিতি এল-ওবেইদেও তৈরির চেষ্টা করছে আরএসএফ।
তিনি দাবি করেন, এল-ওবেইদ শহরটি এল-ফাশেরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বড়। সরকারি বাহিনী আরএসএফের হামলা প্রতিহত করায় সেখানে বড় ধরনের হত্যাকাণ্ড এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সুদানের চলমান সংঘাতকে সমান শক্তির দুই পক্ষের গৃহযুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করার বিরোধিতা করেন আল-তাইয়্যেব। তার ভাষায়, এটি সুদানের রাষ্ট্র, সরকার, জনগণ ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে একটি মিলিশিয়া বাহিনীর হামলা।
এদিকে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এল-ওবেইদে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। আরএসএফের ড্রোন হামলায় হাসপাতাল, বাজার, বিদ্যালয় ও আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগও তদন্ত করা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি