ঢাকা    বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

পাট রপ্তানিতে ১০ বছরে বাংলাদেশের আয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা: পাটমন্ত্রী

পাট রপ্তানিতে ১০ বছরে বাংলাদেশের আয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা: পাটমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

গত ১০ বছরে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে বাংলাদেশ মোট ৮৪ হাজার ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আয় করেছে। এর বড় অংশই এসেছে পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য তুলে ধরেন।

মন্ত্রী জানান, গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে মোট ১৯ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন কাঁচা পাট বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। এ থেকে দেশের আয় হয়েছে ১২ হাজার ৬১২ কোটি ৭ লাখ টাকা।

একই সময়ে পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭০ লাখ ৬৯ হাজার মেট্রিক টন। এসব পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৭১ হাজার ৩৯০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের বিস্তৃতি উল্লেখযোগ্য। কাঁচা পাটের বাজার রয়েছে ৩০টি দেশে। অন্যদিকে বাংলাদেশের তৈরি বিভিন্ন পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৩৮টি দেশে।

তবে বর্তমানে দেশে উৎপাদিত কাঁচা পাট বিদেশে রপ্তানি স্থগিত রয়েছে বলে জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী।

বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের উল্লেখযোগ্য বাজারের মধ্যে রয়েছে চীন, ইরান, স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, তুরস্ক, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া।

এ ছাড়া ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, নেপাল, তিউনিসিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, লাটভিয়া, মেক্সিকো ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের বহু দেশে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য যাচ্ছে।

সংসদে দেওয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, গত এক দশকে পাট খাতের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস ছিল পাটজাত পণ্য। কাঁচা পাটের তুলনায় প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি থেকে কয়েক গুণ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে।

ট্যাগ : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির রপ্তানি পাট

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাট রপ্তানিতে ১০ বছরে বাংলাদেশের আয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা: পাটমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

গত ১০ বছরে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে বাংলাদেশ মোট ৮৪ হাজার ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আয় করেছে। এর বড় অংশই এসেছে পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য তুলে ধরেন।

মন্ত্রী জানান, গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে মোট ১৯ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন কাঁচা পাট বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। এ থেকে দেশের আয় হয়েছে ১২ হাজার ৬১২ কোটি ৭ লাখ টাকা।

একই সময়ে পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭০ লাখ ৬৯ হাজার মেট্রিক টন। এসব পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৭১ হাজার ৩৯০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের বিস্তৃতি উল্লেখযোগ্য। কাঁচা পাটের বাজার রয়েছে ৩০টি দেশে। অন্যদিকে বাংলাদেশের তৈরি বিভিন্ন পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৩৮টি দেশে।

তবে বর্তমানে দেশে উৎপাদিত কাঁচা পাট বিদেশে রপ্তানি স্থগিত রয়েছে বলে জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী।

বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের উল্লেখযোগ্য বাজারের মধ্যে রয়েছে চীন, ইরান, স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, তুরস্ক, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া।

এ ছাড়া ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, নেপাল, তিউনিসিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, লাটভিয়া, মেক্সিকো ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের বহু দেশে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য যাচ্ছে।

সংসদে দেওয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, গত এক দশকে পাট খাতের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস ছিল পাটজাত পণ্য। কাঁচা পাটের তুলনায় প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি থেকে কয়েক গুণ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ