ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ আমলে নেয়নি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)। মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কয়ারের করা অভিযোগটি আইওসির নৈতিকতা কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) আইওসির একজন মুখপাত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান।
ফেয়ারস্কয়ারের অভিযোগ ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে ইনফান্তিনো একাধিকবার অলিম্পিক আন্দোলনের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছেন।
আইওসির মুখপাত্র বলেন, নৈতিকতা কমিশন অভিযোগটি পর্যালোচনা করেছে। অলিম্পিক সনদ অনুযায়ী প্রতিটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশন নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনায় স্বাধীন ও স্বশাসিত। এ কারণে অভিযোগটি আইওসির নৈতিকতা কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
ইনফান্তিনো ফিফা সভাপতির পাশাপাশি আইওসির একজন সদস্য। আইওসি সদস্য হিসেবে বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে দাবি করেছে ফেয়ারস্কয়ার।
ইনফান্তিনোর সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এর আগেও বিতর্ক হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফিফার প্রথম শান্তি পুরস্কার ট্রাম্পকে দেওয়া হয়। সে সময় বিশ্বে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন ইনফান্তিনো।
২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানান, নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য তিনি ইনফান্তিনোর সঙ্গে কথা বলেছিলেন। পরে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে তাকে পরবর্তী ম্যাচে খেলার অনুমতি দেয়।
ইনফান্তিনো অবশ্য দাবি করেন, ট্রাম্পের ফোন পাওয়ার পর তিনি তাকে জানিয়েছিলেন যে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়।
সূত্র: রয়টার্স