রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করা মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরই সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদে থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা হারিয়েছিলেন। ফলে তার পদত্যাগ আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল।
খেলাফত মজলিসের নেতাদের অভিযোগ, সে সময় বিএনপি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবির পক্ষে অবস্থান নেয়নি। পরবর্তী সময়ে দলটির অবস্থান পরিবর্তনের পর তিনি পদত্যাগ করেছেন। এ কারণে পদত্যাগের পেছনে কোনো রাজনৈতিক হিসাব রয়েছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তারা।
শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন দুই নেতা। তাদের মতে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে এমন বক্তব্য তার নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
বিবৃতিতে সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, সংবিধান লঙ্ঘন এবং ব্যাংকিং খাতের অনিয়মে সহযোগিতার অভিযোগ তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগ এখন পর্যন্ত কোনো আদালতে প্রমাণিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
মামুনুল হক ও জালালুদ্দীন আহমদ অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও বিচারিক তদন্ত দাবি করে বলেন, শুধু পদত্যাগের মাধ্যমে দায় শেষ হতে পারে না। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।