ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ফিফার নতুন ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি’ নিয়মে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এমবোলো

ফিফার নতুন ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি’ নিয়মে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এমবোলো
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

চলমান বিশ্বকাপে ফিফার নতুন ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি রুল’ আলোচনায় এসেছে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ঘটনায়। ম্যাচ চলাকালে রেফারির সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের ভূমিকা নিয়ে নতুন এই নিয়মের প্রয়োগ আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফিফার এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়কে ভুলবশত হলুদ বা লাল কার্ড দেখানো হলে এবং পরে ভিএআর বা রেফারি নিশ্চিত হন যে ফাউলটি অন্য কোনো খেলোয়াড় করেছিলেন, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত সংশোধনের সুযোগ থাকে। এ ক্ষেত্রে ভুল খেলোয়াড়কে দেখানো কার্ড বাতিল করে প্রকৃত দায়ী খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ব্রিল এমবোলোর কার্ডের ঘটনাও এই নিয়মের আলোচনায় উঠে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ওই পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড না দেখানো হতো, তাহলে ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি রুল’-এর কারণে এমবোলোকেও দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখতে হতো না।

এর আগে চলতি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার ম্যাচেও একই নিয়মের প্রয়োগ দেখা যায়। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের টিম রিমকে ফাউলের দায়ে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। পরে দেখা যায়, প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন ফাউলের পরিবর্তে সিমুলেশন বা ডাইভ দিয়েছেন। ফলে টিম রিমের হলুদ কার্ড বাতিল করা হয় এবং আলমিরনকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়।

ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে ইচ্ছাকৃতভাবে ডাইভ বা সিমুলেশন করলে রেফারি হলুদ কার্ড দেখাতে পারেন। তবে প্রতিটি ঘটনায় হলুদ কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক নয়; পরিস্থিতি বিবেচনায় রেফারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

চলমান বিশ্বকাপে প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি রুল’-এর ব্যবহার রেফারিংকে আরও নির্ভুল করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগ : ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


ফিফার নতুন ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি’ নিয়মে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এমবোলো

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

চলমান বিশ্বকাপে ফিফার নতুন ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি রুল’ আলোচনায় এসেছে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ঘটনায়। ম্যাচ চলাকালে রেফারির সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের ভূমিকা নিয়ে নতুন এই নিয়মের প্রয়োগ আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফিফার এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়কে ভুলবশত হলুদ বা লাল কার্ড দেখানো হলে এবং পরে ভিএআর বা রেফারি নিশ্চিত হন যে ফাউলটি অন্য কোনো খেলোয়াড় করেছিলেন, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত সংশোধনের সুযোগ থাকে। এ ক্ষেত্রে ভুল খেলোয়াড়কে দেখানো কার্ড বাতিল করে প্রকৃত দায়ী খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে ব্রিল এমবোলোর কার্ডের ঘটনাও এই নিয়মের আলোচনায় উঠে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ওই পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড না দেখানো হতো, তাহলে ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি রুল’-এর কারণে এমবোলোকেও দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখতে হতো না।

এর আগে চলতি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার ম্যাচেও একই নিয়মের প্রয়োগ দেখা যায়। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের টিম রিমকে ফাউলের দায়ে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। পরে দেখা যায়, প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন ফাউলের পরিবর্তে সিমুলেশন বা ডাইভ দিয়েছেন। ফলে টিম রিমের হলুদ কার্ড বাতিল করা হয় এবং আলমিরনকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়।

ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করতে ইচ্ছাকৃতভাবে ডাইভ বা সিমুলেশন করলে রেফারি হলুদ কার্ড দেখাতে পারেন। তবে প্রতিটি ঘটনায় হলুদ কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক নয়; পরিস্থিতি বিবেচনায় রেফারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

চলমান বিশ্বকাপে প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে ‘মিসটেইকেন আইডেন্টিটি রুল’-এর ব্যবহার রেফারিংকে আরও নির্ভুল করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ