২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নিজেদের বিপক্ষে হওয়া একটি গোল নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে নরওয়ে। তাদের দাবি, ইংল্যান্ডের সমতাসূচক গোলের আগে বল স্পাইডারক্যামের ঝুলন্ত তারে লেগেছিল। তবে বিষয়টি তদন্ত করে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফিফা।
মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে নরওয়ের গোলরক্ষকের নেওয়া একটি লম্বা কিক থেকে ইংল্যান্ড আক্রমণ গড়ে তোলে। সেই আক্রমণ থেকেই জুড বেলিংহ্যাম গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। নরওয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আক্রমণ শুরুর আগে বলটি স্টেডিয়ামের ওপরের ক্যামেরার তার স্পর্শ করেছিল। সে ক্ষেত্রে খেলা থামিয়ে পুনরায় শুরু করার নিয়ম রয়েছে।
গোল হওয়ার পর নরওয়ের গোলরক্ষক রেফারির দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। দলের কোচিং স্টাফও ম্যাচ কর্মকর্তাদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন। তবে রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
পরে ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, ঘটনাটি পর্যালোচনা করে বলটি ক্যামেরার তারে লেগেছিল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি জানায়, ম্যাচে ব্যবহৃত কানেক্টেড বল প্রযুক্তির সেন্সরে বলের গতিপথে কোনো অস্বাভাবিক কম্পন বা পরিবর্তনের তথ্য রেকর্ড হয়নি। ফলে বলটি তারে লেগেছিল বলে নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনো প্রযুক্তিগত তথ্যও পাওয়া যায়নি।
ফিফার ভাষ্য অনুযায়ী, বলের গতিপথ পরিবর্তনের কোনো প্রমাণ না থাকায় রেফারির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে এবং গোলটি বৈধ হিসেবেই গণ্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে কানেক্টেড বল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এর আগেও একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচে বলের সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অফসাইডের কারণে ক্রোয়েশিয়ার একটি গোল বাতিল করা হয়েছিল।
মন্তব্যসমূহ