ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ

মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ
ফাইল ছবি
ফলো করুন

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জেরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বক্তব্যটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহার এবং প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহদপ্তর সম্পাদক ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহমুদুর রহমান মিশন ভূঁইয়ার পক্ষে নোটিশটি পাঠানো হয়।

তাঁর পক্ষে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইয়াছিন আরাফাত (সম্রাট)।

আইনি নোটিশে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ঢাকার একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

নোটিশে উদ্ধৃত বক্তব্যের একটি অংশে বলা হয়েছে, ‘এই যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আছে... জায়গায় এ্যানি চৌধুরীর ফোন কল যায় না, যে আমারে টাকা পাঠায়।’

নোটিশদাতার দাবি, বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ অক্টোবর বিভিন্ন টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্যটি প্রচারিত হয়।

এর ফলে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির ব্যক্তিগত মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নোটিশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বক্তব্য প্রত্যাহারের পাশাপাশি প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

এ জন্য নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত আদালতে মামলা করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

নোটিশদাতার দাবি, পাটওয়ারীর বক্তব্য ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় বর্ণিত মানহানির অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

তবে এটি নোটিশদাতার আইনি অভিযোগ। বক্তব্যটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে কি না, তা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হওয়ার বিষয়।

আইনি নোটিশে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং একজন সুনামসম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশদাতার বক্তব্য অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে এ ধরনের অভিযোগ তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে পারে।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

ট্যাগ : এনসিপি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আইনি নোটিশ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জেরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বক্তব্যটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহার এবং প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহদপ্তর সম্পাদক ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহমুদুর রহমান মিশন ভূঁইয়ার পক্ষে নোটিশটি পাঠানো হয়।

তাঁর পক্ষে আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইয়াছিন আরাফাত (সম্রাট)।

আইনি নোটিশে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ঢাকার একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

নোটিশে উদ্ধৃত বক্তব্যের একটি অংশে বলা হয়েছে, ‘এই যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আছে... জায়গায় এ্যানি চৌধুরীর ফোন কল যায় না, যে আমারে টাকা পাঠায়।’

নোটিশদাতার দাবি, বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ অক্টোবর বিভিন্ন টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্যটি প্রচারিত হয়।

এর ফলে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির ব্যক্তিগত মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নোটিশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে বক্তব্য প্রত্যাহারের পাশাপাশি প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

এ জন্য নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত আদালতে মামলা করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

নোটিশদাতার দাবি, পাটওয়ারীর বক্তব্য ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় বর্ণিত মানহানির অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

তবে এটি নোটিশদাতার আইনি অভিযোগ। বক্তব্যটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে কি না, তা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হওয়ার বিষয়।

আইনি নোটিশে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং একজন সুনামসম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশদাতার বক্তব্য অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে এ ধরনের অভিযোগ তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে পারে।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ