রাজধানীর কদমতলী থানাধীন মাতুয়াইল মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালের পাশে পার্কিং করা অবস্থায় ‘শ্রাবণ পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (২ নভেম্বর ২০২৬) দিবাগত মধ্যরাতে এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
যাত্রীবাহী বাসে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে সরাসরি দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, দেশকে অস্থিতিশীল ও অকার্যকর করতে চলমান তৈরি পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে ধারাবাহিক অগ্নিসংযোগ, হামলা ও ভাঙচুরের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, মধ্যরাতে মাতুয়াইল মেডিকেল কলেজের সামনে যাত্রীবাহী বাসে আওয়ামী দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে শ্রমিক আন্দোলনকে ব্যবহার করে একের পর এক অগ্নিসন্ত্রাস ও ভাঙচুর চালানো হলেও বিরোধী দল নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে তিনি উষ্মা প্রকাশ করেন। বিরোধী দলের এমন নিষ্ক্রিয়তাকে নৈরাজ্যের প্রতি ‘মৌন সমর্থন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, ক্ষমতায় যাওয়ার মোহে দুর্বৃত্তায়নকে প্রশ্রয় দিলে এর চরম খেসারত তাদেরও দিতে হবে।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিরোধী দল যদি প্রকৃতপক্ষে দেশের মঙ্গল এবং বিগত গণহত্যার বিচার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার চায়, তবে তাদের রাজপথে নেমে এই অপশক্তিকে রুখে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে পতিত স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর সঙ্গে জামায়াত ও এনসিপির কোনো রাজনৈতিক আপস-মীমাংসা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে জনমনে তীব্র সন্দেহ ও সংশয় তৈরি হবে।
মন্তব্যসমূহ