ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল শত্রুকে জবাব দিতে প্রস্তুত

- আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 23
ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে এবং যে কোনো আগ্রাসনের জবাবে শত্রুকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদুর রহিম মুসাভি।
মেহের নিউজের বরাতে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মুসাভি।
পরিদর্শনকালে জেনারেল মুসাভি বলেন, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা, উৎপাদন ও পরিচালন সক্ষমতায় বড় ধরনের উন্নয়ন ঘটিয়েছে ইরান। এর ফলে দেশটির প্রতিরোধ শক্তি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে।
তিনি জানান, শত্রুপক্ষের যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় ইরানি বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। গত বছরের জুনে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইরান তার সামরিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আগের তুলনামূলক রক্ষণাত্মক অবস্থান থেকে সরে এসে এখন ইরান অসম যুদ্ধ কৌশল ও আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়ার নীতিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।
ওই সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে মুসাভি বলেন, সে সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটে এবং পরমাণু স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হয়। জবাবে ইরানও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনা এবং পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর পাল্টা আঘাত হানে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মার্কিন নৌ ও বিমান বাহিনীর নতুন মোতায়েন এবং ইরানের বিরুদ্ধে হুমকির প্রেক্ষাপটে যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের দ্রুত ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়া হবে।
জেনারেল মুসাভি স্পষ্ট করে বলেন, শত্রুর বাহ্যিক শক্তি প্রদর্শনে ইরান ভয় পায় না। দেশের সশস্ত্র বাহিনী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যে কোনো উসকানির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে সক্ষম।






























