ইরানের সঙ্গে লেনদেনে জড়িত দেশগুলোর প্রতি ট্রাম্পের কড়া বার্তা

- আপডেট: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 15
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর প্রতি কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে তিনি স্বাক্ষর করেছেন, যেখানে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার জারি করা আদেশে নির্দিষ্ট শুল্কহার উল্লেখ না থাকলেও উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশ শুল্কের কথা বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়, কোনো দেশ যদি “প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে” ইরান থেকে পণ্য বা সেবা কেনে, আমদানি করে বা গ্রহণ করে—তাহলে ওই দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত পণ্যের ওপর এই শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প আবারও বলেন—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
এর আগেও চলতি বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে তখন কার্যকর কাঠামো স্পষ্ট করা হয়নি।
হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন আদেশটি ইরানকে ঘিরে চলমান “জাতীয় জরুরি অবস্থা” পুনর্ব্যক্ত করে। পরিস্থিতি বদলালে প্রেসিডেন্ট আদেশ সংশোধন করতে পারেন বলেও উল্লেখ করা হয়। একই বিবৃতিতে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা, সন্ত্রাসবাদের সহায়তা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার অভিযোগ তুলে দেশটিকে জবাবদিহির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইরান-উৎপত্তি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের সঙ্গে লেনদেনের অভিযোগে ১৫টি প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে বলে জানানো হয়। এ বিষয়ে ইরান তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে তেহরান আগেও দাবি করেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।





























