ঢাকা    রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

নির্বাচনের তিন দিন আগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ

নির্বাচনের তিন দিন আগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্য সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত এবং স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিতে তেল আবিবের রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভে এক লাখের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন আয়োজকেরা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে তেল আবিবের হোস্টেজেস স্কোয়ারে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। আগামী মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এই সমাবেশকে নেতানিয়াহু সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অক্টোবর কাউন্সিল’ নামের একটি সংগঠন বিক্ষোভের আয়োজন করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন, হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি এবং গাজায় জিম্মি থাকা ইসরায়েলিদের পরিবারগুলোর উদ্যোগে সংগঠনটি গড়ে ওঠে।

সংগঠনটির মূল দাবি, হামাসের হামলা প্রতিরোধে ইসরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হয়েছিল, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যর্থতার জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বিক্ষোভের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় অক্টোবর কাউন্সিল জানায়, নির্বাচনের তিন দিন আগে সত্য উদ্‌ঘাটন, জবাবদিহি নিশ্চিত এবং রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিতে তিন বছর ধরে চলা আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের তথ্য অনুযায়ী, সমাবেশে এক লাখের বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে আয়োজকদের দাবি। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা নিয়ে পুলিশ কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব প্রকাশ করেনি।

এদিকে দেশটির সংবাদপত্র হারেৎজ জানিয়েছে, তেল আবিবের পাশাপাশি ইসরায়েলের অন্যান্য স্থানেও সরকারবিরোধী কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন।

বিক্ষোভে বিরোধী নেতাদের অংশগ্রহণ

সরকারবিরোধী এই সমাবেশে অংশ নেন ইসরায়েলের প্রধান বিরোধী দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মধ্যপন্থী ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকোট, যিনি আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

সমাবেশস্থলে আইজেনকোট পৌঁছালে তাঁকে করতালি ও স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানান বিক্ষোভকারীরা। এ সময় উপস্থিত জনতার একাংশ স্লোগান দেন, ‘কে আসছেন? পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।’

এ ছাড়া ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়াইর গোলানও বিক্ষোভে যোগ দেন। নির্বাচন সামনে রেখে বিরোধী নেতাদের এমন উপস্থিতি বিক্ষোভকে রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

স্বাধীন তদন্ত কমিশন নিয়ে বিরোধ

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকে দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ওই হামলা এবং পরবর্তী সময়ে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ঘটনাপ্রবাহ দেশটির রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

অক্টোবর কাউন্সিলের দাবি, হামলার আগে ও হামলার সময় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রীয় কমিশন গঠন করতে হবে।

তবে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকার এ ধরনের কমিশন গঠনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। এর পরিবর্তে সরকার একটি রাজনৈতিক কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, কমিশনের অর্ধেক সদস্য নিয়োগ দেবে সরকার এবং বাকি সদস্যদের নিয়োগ করবেন বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা।

বিরোধী নেতারা অবশ্য এই প্রস্তাব মানতে রাজি নন। সরকার রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত কোনো কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিলে তা বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের সঙ্গে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শক্তির তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

জনমত জরিপগুলোতে কোনো পক্ষেরই ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার স্পষ্ট সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

এবারের নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করবে কি না, সে প্রশ্নেও নির্বাচনের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, আইজেনকোট ক্ষমতায় এলে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণে নেতানিয়াহুর তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম আগ্রহ দেখাতে পারেন। তবে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানে মিল রয়েছে।

নির্বাচনের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে আবারও সামনে এসেছে ৭ অক্টোবরের হামলার নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিয়ে জবাবদিহির প্রশ্ন। স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি এবং নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি অসন্তোষ নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগ : বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েল

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


নির্বাচনের তিন দিন আগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্য সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত এবং স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিতে তেল আবিবের রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভে এক লাখের বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন আয়োজকেরা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে তেল আবিবের হোস্টেজেস স্কোয়ারে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। আগামী মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এই সমাবেশকে নেতানিয়াহু সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অক্টোবর কাউন্সিল’ নামের একটি সংগঠন বিক্ষোভের আয়োজন করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন, হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি এবং গাজায় জিম্মি থাকা ইসরায়েলিদের পরিবারগুলোর উদ্যোগে সংগঠনটি গড়ে ওঠে।

সংগঠনটির মূল দাবি, হামাসের হামলা প্রতিরোধে ইসরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হয়েছিল, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যর্থতার জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বিক্ষোভের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় অক্টোবর কাউন্সিল জানায়, নির্বাচনের তিন দিন আগে সত্য উদ্‌ঘাটন, জবাবদিহি নিশ্চিত এবং রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিতে তিন বছর ধরে চলা আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের তথ্য অনুযায়ী, সমাবেশে এক লাখের বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে আয়োজকদের দাবি। তবে বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা নিয়ে পুলিশ কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব প্রকাশ করেনি।

এদিকে দেশটির সংবাদপত্র হারেৎজ জানিয়েছে, তেল আবিবের পাশাপাশি ইসরায়েলের অন্যান্য স্থানেও সরকারবিরোধী কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন।

বিক্ষোভে বিরোধী নেতাদের অংশগ্রহণ

সরকারবিরোধী এই সমাবেশে অংশ নেন ইসরায়েলের প্রধান বিরোধী দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মধ্যপন্থী ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকোট, যিনি আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

সমাবেশস্থলে আইজেনকোট পৌঁছালে তাঁকে করতালি ও স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানান বিক্ষোভকারীরা। এ সময় উপস্থিত জনতার একাংশ স্লোগান দেন, ‘কে আসছেন? পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।’

এ ছাড়া ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়াইর গোলানও বিক্ষোভে যোগ দেন। নির্বাচন সামনে রেখে বিরোধী নেতাদের এমন উপস্থিতি বিক্ষোভকে রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

স্বাধীন তদন্ত কমিশন নিয়ে বিরোধ

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকে দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ওই হামলা এবং পরবর্তী সময়ে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ঘটনাপ্রবাহ দেশটির রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

অক্টোবর কাউন্সিলের দাবি, হামলার আগে ও হামলার সময় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রীয় কমিশন গঠন করতে হবে।

তবে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকার এ ধরনের কমিশন গঠনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। এর পরিবর্তে সরকার একটি রাজনৈতিক কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, কমিশনের অর্ধেক সদস্য নিয়োগ দেবে সরকার এবং বাকি সদস্যদের নিয়োগ করবেন বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা।

বিরোধী নেতারা অবশ্য এই প্রস্তাব মানতে রাজি নন। সরকার রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত কোনো কমিশন গঠনের উদ্যোগ নিলে তা বর্জন করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা।

নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের সঙ্গে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শক্তির তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

জনমত জরিপগুলোতে কোনো পক্ষেরই ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার স্পষ্ট সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

এবারের নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করবে কি না, সে প্রশ্নেও নির্বাচনের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, আইজেনকোট ক্ষমতায় এলে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণে নেতানিয়াহুর তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম আগ্রহ দেখাতে পারেন। তবে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানে মিল রয়েছে।

নির্বাচনের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে আবারও সামনে এসেছে ৭ অক্টোবরের হামলার নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিয়ে জবাবদিহির প্রশ্ন। স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি এবং নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি অসন্তোষ নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: আল জাজিরা


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ