ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্মীয় চর্চা করতে গিয়ে আর কারও হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে না; প্রতিটি নাগরিক নির্ভয়ে ও পূর্ণ স্বাধীনতায় নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহাসিক সাচার বাজারে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি নিয়ে একসাথে বসবাস করবে। এখানে কারও ধর্মীয় অধিকার চর্চায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। সবার ধর্মীয় অনুভূতি ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব।”
শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে আনন্দঘন ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য চলতি বছর কচুয়া উপজেলায় বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ সরকারি বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে জানান, আগামী দিনগুলোতেও সব ধর্মীয় উৎসব ও সামাজিক কার্যক্রমে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি, কচুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির, কচুয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিপুলসংখ্যক পুণ্যার্থী।
মন্তব্যসমূহ