রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার খোয়াইব হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু, সাঈদ আহমেদ রাজা ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
এর আগে পৃথক সাত মামলায় জামিন পাওয়ার পর খায়রুল হককে নতুন করে যাত্রাবাড়ী থানার খোয়াইব হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালতে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।
গত ১৬ মে এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. ইব্রাহিম খলিল। পরে ২৩ মে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখান।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী পদচারী-সেতুর নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন খোয়াইব। বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে যাত্রাবাড়ী মোড়ের দিকে অগ্রসর হলে গুলির ঘটনা ঘটে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের নির্দেশ ও মদদে পুলিশ, র্যাব এবং আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের অস্ত্রধারীরা আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালায়। এতে গুরুতর আহত হন খোয়াইব। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। নিহত খোয়াইবের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ মামলাটি করেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসা থেকে এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর তাকে একে একে আটটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
মন্তব্যসমূহ