সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, আকাশপথে যোগাযোগ ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর তাঁদের মরদেহ বাংলাদেশে আনা হবে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কর্মীদের লাগেজ পরিবহনের সুবিধার্থে ২০০টি ট্রলি হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মধ্যে একজন অভিবাসী শ্রমিক এবং অন্যজন ওমরাহ যাত্রী। তাঁদের একজনের বাড়ি বগুড়ায় এবং অন্যজনের কুমিল্লায়।
তবে কার বাড়ি কোন জেলায়, তাঁদের পরিচয় কিংবা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কারণ সম্পর্কে প্রদত্ত তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
সৌদি আরবে বর্তমানে আটকে পড়া বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রীদের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি জানান, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতির কারণে অনেক বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রী দেশে ফিরতে পারছেন না। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বিকল্প পথে ফেরার চেষ্টা করছেন। তবে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় অনেকের দেশে ফেরা সম্ভব হচ্ছে না।
আকাশপথের যোগাযোগ ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আটকে পড়া ওমরাহ যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত নতুন চুক্তির বিষয়েও কথা বলেন তিনি।
আরিফুল হক চৌধুরী জানান, নতুন চুক্তির আওতায় জাপানে কর্মরত বাংলাদেশিরা দেশটির স্থানীয় শ্রমিকদের সমপর্যায়ের আইনি সুরক্ষা পাবেন।
এ ছাড়া কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও চুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের লাগেজ বহনের সুবিধার্থে ২০০টি ট্রলি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নতুন ট্রলিগুলো যাত্রীদের লাগেজ পরিবহন সহজ করবে এবং বিমানবন্দরে তাঁদের ভোগান্তি কমাতে সহায়ক হবে।
মন্তব্যসমূহ