ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

কক্সবাজারে অ'গ্নিকাণ্ড: রিসোর্ট মালিককে প্রধান করে মা'মলা

কক্সবাজারে অ'গ্নিকাণ্ড: রিসোর্ট মালিককে প্রধান করে মা'মলা
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন ‘টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলায় রিসোর্টের মালিক তানভীর আহমদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার মামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।

এ ঘটনায় রিসোর্টের সহকারী ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আটক করা হয়েছিল। তবে মামলায় সুনির্দিষ্টভাবে মোট কতজনকে আসামি করা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তা তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি পুলিশ।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাঁদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, পরিচয় নিয়ে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মরদেহগুলো কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত থাকবে।

নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনই ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা মো. আশিকুল ইসলামের পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়। এর মধ্যে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা ও শ্যালিকা লায়লা জাহান নাবিলাসহ অন্যান্য স্বজন। আশিকুল ইসলাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবকাশ যাপনে বৃহস্পতিবার ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টটিতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় মুহূর্তেই তা পুরো ভবনে রূপ নেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট এবং পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উদ্ধারকাজ চলে দুপুর পর্যন্ত। এ সময় সেখান থেকে একে একে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ : উখিয়া রিসোর্টে মামলা টুপটুপ রিসোর্ট অগ্নিকাণ্ড

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


কক্সবাজারে অ'গ্নিকাণ্ড: রিসোর্ট মালিককে প্রধান করে মা'মলা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন ‘টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলায় রিসোর্টের মালিক তানভীর আহমদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার মামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।

এ ঘটনায় রিসোর্টের সহকারী ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আটক করা হয়েছিল। তবে মামলায় সুনির্দিষ্টভাবে মোট কতজনকে আসামি করা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তা তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি পুলিশ।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাঁদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, পরিচয় নিয়ে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মরদেহগুলো কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত থাকবে।

নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনই ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা মো. আশিকুল ইসলামের পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়। এর মধ্যে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা ও শ্যালিকা লায়লা জাহান নাবিলাসহ অন্যান্য স্বজন। আশিকুল ইসলাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবকাশ যাপনে বৃহস্পতিবার ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টটিতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় মুহূর্তেই তা পুরো ভবনে রূপ নেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট এবং পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উদ্ধারকাজ চলে দুপুর পর্যন্ত। এ সময় সেখান থেকে একে একে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ