নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় নতুন একটি কূপে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।
উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে অবস্থিত ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’ খনন শেষে এ গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকালে কূপটিতে গ্যাসের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করে বাপেক্স। এর আগে গত ২৮ জুলাই কূপটির খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
বাপেক্সের তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে মেজারমেন্ট হোয়াইল ড্রিলিং (এমডব্লিউডি) প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটি খনন করা হয়েছে।
খননকাজে কূপটির সর্বোচ্চ গভীরতা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭৮ মিটার। এর মধ্যে ভূগর্ভের ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) পরিচালনা করা হচ্ছে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে গ্যাসের মজুত ও উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে।
সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি মানবজমিনকে জানান, কূপটিতে আরও দুই থেকে তিন দিন ডিএসটি পরীক্ষা চালানো হবে। পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর সেখানে মোট কী পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
তবে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনার বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের অনুমান। পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কূপটির প্রকৃত উৎপাদনক্ষমতা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
মন্তব্যসমূহ