ইউক্রেনের সুমি শহরে ভারতীয় মালিকানাধীন একটি ওষুধ কারখানায় রুশ ড্রোন হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও হামলা ও প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) এ হামলা হয়। দিল্লিতে ইউক্রেনের দূতাবাস জানিয়েছে, আক্রান্ত ওষুধ প্রতিষ্ঠানটি ভারতীয় মালিকানাধীন। প্রতিষ্ঠানটি ভারতের কুসুম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
হামলার পর কারখানাটির মূল স্থাপনার বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কুসুম গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা সঞ্জীব গুপ্তার বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ছয়টি ড্রোন কারখানাটিতে আঘাত হানে। হামলায় প্রকৌশল বিভাগের একজন কর্মী নিহত হন এবং অন্য কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়।
ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সুমির চিকিৎসাসামগ্রীর গুদামে হামলায় নিহত ব্যক্তি ৫২ বছর বয়সী একজন কর্মী। এতে আরও তিনজন আহত হন।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাতভর ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ১৩৫টি আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়া। এর মধ্যে ৫০টির বেশি ছিল জেটচালিত। কিয়েভ, ডিনিপ্রো, খারকিভ, দোনেৎস্ক, সুমি ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে হামলা হয়। বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হয়।
সুমির হামলায় নিহত ব্যক্তির পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
এদিকে রাশিয়ার নতুন বিমান হামলার কৌশলের জবাবে রুশ তেল শোধনাগারে হামলা আরও বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন জেলেনস্কি। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইউক্রেন জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করবে, তবে বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।
উল্লেখ্য, প্রদত্ত প্রতিবেদনে হামলার দিন ‘রোববার (৫ অক্টোবর)’ বলা হয়েছে। তবে ২০২৬ সালের ৫ অক্টোবর সোমবার; যাচাইকৃত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে ঘটনাটি রোববার, ৪ অক্টোবর ঘটেছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্যসমূহ