ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের আবারও শহর ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে কিয়েভে ‘বড় আকারের প্রতিশোধমূলক হামলা’ অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর হামলার জবাবে কিয়েভসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী।
বিবৃতিতে বলা হয়, এর আগে গত মে মাসেও বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের ইউক্রেন ত্যাগের বিষয়ে সতর্ক করেছিল মস্কো। তবে সেই সতর্কতা উপেক্ষা করে কিয়েভে কয়েকটি বিদেশি দূতাবাস এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশি কর্মকর্তারাও ইউক্রেন সফর করছেন।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কিয়েভে রুশ বাহিনীর বড় আকারের প্রতিশোধমূলক হামলা অব্যাহত থাকবে। এ কারণে বিদেশি নাগরিকদের, বিশেষ করে কূটনৈতিক মিশনের কর্মীদের, ইউক্রেনে অবস্থান করা কিংবা দেশটিতে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে মস্কো।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাশিয়ার এই সতর্কতা উপেক্ষা করে কেউ ইউক্রেনে অবস্থান করলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির দায় সম্পূর্ণভাবে তাদের নিজেদের।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা আরও জোরদার করেছে। দুই পক্ষই একে অপরের লজিস্টিক কেন্দ্র, বন্দর এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তবে উভয় দেশই বেসামরিক অবকাঠামোতে ইচ্ছাকৃত হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য সামরিক স্থাপনা কিংবা সামরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো।
গত কয়েক দিনে কিয়েভে হামলার মাত্রাও আরও বেড়েছে। শনিবার দিনিপ্রো নদীর ওপর থাকা একাধিক সেতু হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। এর মধ্যে পিভনিচনি সেতুতেও হামলা চালানো হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ