ঢাকা    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

এআই তদারকিতে নতুন উদ্যোগ, কেন প্রশ্ন উঠছে ট্রাম্পের চুক্তি নিয়ে?

এআই তদারকিতে নতুন উদ্যোগ, কেন প্রশ্ন উঠছে ট্রাম্পের চুক্তি নিয়ে?
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা একটি স্বেচ্ছাধীন চুক্তিতে সই করেছেন। ‘জয়েস কমেন্টমেন্ট অন ফ্রন্টিয়ার রেসপন্সিবিলিটিজ’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও তদারকি জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে শীর্ষ প্রযুক্তি নেতাদের নিয়ে আয়োজিত এক মধ্যাহ্নভোজ সভায় ট্রাম্প এই চুক্তির ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তাঁর প্রশাসনের অবস্থানও তুলে ধরা হয়।

ট্রাম্প বলেন, ‘পণ্য বা প্রযুক্তির স্ব-নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেওয়া উচিত বলে মনে করা হয়। তা ছাড়াও বিচার বিভাগ ও এফবিআইয়ের মতো সরকারি সংস্থাগুলোর মাধ্যমে আমাদের নিজস্ব তদারকি তো এমনিতেই রয়েছে।’

সমঝোতা চুক্তিতে বিশ্বের ছয়টি শীর্ষস্থানীয় এআই ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্বাক্ষর করেছে। এতে অ্যানথ্রোপিকের দারিও আমোদেই, ওপেনএআইয়ের গ্রেগ ব্রকম্যান, গুগলের সুন্দর পিচাই, মেটার মার্ক জাকারবার্গ, এক্সএআইয়ের ইলন মাস্ক এবং এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের এআই মডেল তদারকির জন্য অভ্যন্তরীণ দল গঠন এবং নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করতে স্বাধীন বা বহিরাগত নিরীক্ষকদের সঙ্গে কাজ করার বিষয়েও তারা সম্মত হয়েছে।

এ ছাড়া নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে এআই নিরাপত্তার নতুন মানদণ্ড নির্ধারণের বিষয়টিও চুক্তিতে রাখা হয়েছে। তবে এতে কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক আইনগত শর্ত রাখা হয়নি। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে এই স্বেচ্ছাধীন চুক্তিকে আইন বা আনুষ্ঠানিক নীতিমালায় রূপ দেওয়া ‘যৌক্তিক হতে পারে’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে এআই নিয়ন্ত্রণে একটি বিশ্বব্যাপী তদারকি সংস্থা গঠনের আহ্বান উঠেছে। প্রায় ২০টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এআই প্রযুক্তিকে মানুষের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের পক্ষে মত দিয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এআই নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগের বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান ভিন্ন। জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, বৈশ্বিক কোনো কাঠামোর মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলে তাঁর প্রশাসন তার বিরোধিতা করবে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে এআই প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রযুক্তির উন্নয়ন ধীর করার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

এরই মধ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সোমবার ওপেনএআই তাদের নতুন একটি এআই মডেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর মডেলটি আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না। একই সময়ে অস্ট্রেলীয় সরকারের ওয়েবসাইট ও স্বাস্থ্যসেবা ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশের ঘটনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এই সমঝোতা চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগকারী এবং ট্রাম্পের সাবেক এআই বিষয়ক উপদেষ্টা ডেভিড স্যাক্স এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, আন্তর্জাতিক চুক্তির তুলনায় এটি অনেক বেশি কার্যকর পদক্ষেপ। তাঁর মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকানদের স্বার্থ রক্ষা করে মার্কিন প্রযুক্তি নেতৃত্ব বজায় রাখছেন।

অন্যদিকে বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ চুক্তিতে বাধ্যতামূলক কোনো ব্যবস্থা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক আলভিন ওয়াং গ্রেলিন বলেন, ‘সবচেয়ে বড় ঝুঁকি চীনা এআই নয়, বরং অ-রাষ্ট্রীয় কোনো গোষ্ঠীর হাতে থাকা ছোট এআই মডেল, যা জৈব বা সাইবার হামলার কাজে ব্যবহার হতে পারে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এক টেবিলে আনা ইতিবাচক, তবে মূল সমস্যা হলো এখানে কোনো স্বাধীন তদারকি বা আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।’

সিডনির ইউএনএসডব্লিউ এআই ইনস্টিটিউটের প্রধান টবি ওয়ালশও স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ট্রিলিয়ন ডলারের কোনো শিল্প কি নিজের মূল্যায়ন নিজে করতে পারে? তারা আগেও নিজেদের ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। এআইয়ের কারণে কোনো ক্ষতি হলে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সরাসরি জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।’

নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে এআই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, অভ্যন্তরীণ তদারকি বাড়ানো এবং স্বাধীন নিরীক্ষার সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এর বাস্তবায়নে কোনো নির্দিষ্ট আইনগত বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। ফলে এআই নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাধীন স্ব-নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ : ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রযুক্তি

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এআই তদারকিতে নতুন উদ্যোগ, কেন প্রশ্ন উঠছে ট্রাম্পের চুক্তি নিয়ে?

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা একটি স্বেচ্ছাধীন চুক্তিতে সই করেছেন। ‘জয়েস কমেন্টমেন্ট অন ফ্রন্টিয়ার রেসপন্সিবিলিটিজ’ নামের এই চুক্তির মাধ্যমে এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও তদারকি জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউসে শীর্ষ প্রযুক্তি নেতাদের নিয়ে আয়োজিত এক মধ্যাহ্নভোজ সভায় ট্রাম্প এই চুক্তির ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তাঁর প্রশাসনের অবস্থানও তুলে ধরা হয়।

ট্রাম্প বলেন, ‘পণ্য বা প্রযুক্তির স্ব-নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেওয়া উচিত বলে মনে করা হয়। তা ছাড়াও বিচার বিভাগ ও এফবিআইয়ের মতো সরকারি সংস্থাগুলোর মাধ্যমে আমাদের নিজস্ব তদারকি তো এমনিতেই রয়েছে।’

সমঝোতা চুক্তিতে বিশ্বের ছয়টি শীর্ষস্থানীয় এআই ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্বাক্ষর করেছে। এতে অ্যানথ্রোপিকের দারিও আমোদেই, ওপেনএআইয়ের গ্রেগ ব্রকম্যান, গুগলের সুন্দর পিচাই, মেটার মার্ক জাকারবার্গ, এক্সএআইয়ের ইলন মাস্ক এবং এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের এআই মডেল তদারকির জন্য অভ্যন্তরীণ দল গঠন এবং নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করতে স্বাধীন বা বহিরাগত নিরীক্ষকদের সঙ্গে কাজ করার বিষয়েও তারা সম্মত হয়েছে।

এ ছাড়া নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে এআই নিরাপত্তার নতুন মানদণ্ড নির্ধারণের বিষয়টিও চুক্তিতে রাখা হয়েছে। তবে এতে কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক আইনগত শর্ত রাখা হয়নি। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে এই স্বেচ্ছাধীন চুক্তিকে আইন বা আনুষ্ঠানিক নীতিমালায় রূপ দেওয়া ‘যৌক্তিক হতে পারে’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে এআই নিয়ন্ত্রণে একটি বিশ্বব্যাপী তদারকি সংস্থা গঠনের আহ্বান উঠেছে। প্রায় ২০টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এআই প্রযুক্তিকে মানুষের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের পক্ষে মত দিয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এআই নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগের বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান ভিন্ন। জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, বৈশ্বিক কোনো কাঠামোর মাধ্যমে মার্কিন প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হলে তাঁর প্রশাসন তার বিরোধিতা করবে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে এআই প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রযুক্তির উন্নয়ন ধীর করার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

এরই মধ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সোমবার ওপেনএআই তাদের নতুন একটি এআই মডেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর মডেলটি আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না। একই সময়ে অস্ট্রেলীয় সরকারের ওয়েবসাইট ও স্বাস্থ্যসেবা ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশের ঘটনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এই সমঝোতা চুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগকারী এবং ট্রাম্পের সাবেক এআই বিষয়ক উপদেষ্টা ডেভিড স্যাক্স এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, আন্তর্জাতিক চুক্তির তুলনায় এটি অনেক বেশি কার্যকর পদক্ষেপ। তাঁর মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকানদের স্বার্থ রক্ষা করে মার্কিন প্রযুক্তি নেতৃত্ব বজায় রাখছেন।

অন্যদিকে বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ চুক্তিতে বাধ্যতামূলক কোনো ব্যবস্থা না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক আলভিন ওয়াং গ্রেলিন বলেন, ‘সবচেয়ে বড় ঝুঁকি চীনা এআই নয়, বরং অ-রাষ্ট্রীয় কোনো গোষ্ঠীর হাতে থাকা ছোট এআই মডেল, যা জৈব বা সাইবার হামলার কাজে ব্যবহার হতে পারে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এক টেবিলে আনা ইতিবাচক, তবে মূল সমস্যা হলো এখানে কোনো স্বাধীন তদারকি বা আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।’

সিডনির ইউএনএসডব্লিউ এআই ইনস্টিটিউটের প্রধান টবি ওয়ালশও স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘ট্রিলিয়ন ডলারের কোনো শিল্প কি নিজের মূল্যায়ন নিজে করতে পারে? তারা আগেও নিজেদের ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। এআইয়ের কারণে কোনো ক্ষতি হলে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সরাসরি জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।’

নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে এআই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, অভ্যন্তরীণ তদারকি বাড়ানো এবং স্বাধীন নিরীক্ষার সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এর বাস্তবায়নে কোনো নির্দিষ্ট আইনগত বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। ফলে এআই নিরাপত্তায় স্বেচ্ছাধীন স্ব-নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ