ঢাকা    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ফ্রান্সজুড়ে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আটক ৪৪০

ফ্রান্সজুড়ে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আটক ৪৪০
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

ফ্রান্সজুড়ে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার সহিংস রূপ নিয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৪৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের বেশিরভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে আটকের চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষাব্যবস্থায় অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মীর সংকট, দীর্ঘ ক্লাসসূচি এবং পর্যাপ্ত সম্পদের অভাবের প্রতিবাদে এই আন্দোলনের সূত্রপাত। গত সপ্তাহে প্যারিসের আশপাশের আইল-দে-ফ্রাঁন্স অঞ্চলে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মঙ্গলবার ফ্রান্সের অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়ে।

বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্কুলের প্রবেশপথ অবরোধ করে ক্লাস বন্ধ রাখার চেষ্টা করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, মঙ্গলবার প্রায় ৪০০টি স্কুল বিক্ষোভ অথবা এর কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০টি স্কুল অবরোধ করা হয় এবং আরও ৪৪টি স্কুলে অবরোধের চেষ্টা চালানো হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অনেক শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২ থেকে ৩৫ জন পর্যন্ত। এতে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদেরও স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু শিক্ষার্থী দীর্ঘ ক্লাসসূচি এবং অতিরিক্ত গরম শ্রেণিকক্ষ নিয়েও অভিযোগ করেছে।

মঙ্গলবার বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফরাসি গণমাধ্যম ও বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা আবর্জনার বাক্সে আগুন ধরিয়ে দেন এবং পুলিশের দিকে বোতল, পাথরসহ বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারেন। কিছু এলাকায় বাসস্টপ ও বিজ্ঞাপনের কাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর জবাবে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। মঙ্গলবারের সংঘর্ষে অন্তত ১০ শিক্ষক ও কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৪৮ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, কিছু ঘটনায় পুলিশের দিকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রী বলেন, ‘আমরা একটি বার্তা দিতে এখানে এসেছি। কোনো কারণ ছাড়াই সবকিছু ভেঙেচুরে ফেলার জন্য আমরা এখানে আসিনি। আমরা বলতে চাই, শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। আমাদের প্রতিটি ক্লাসে ৩৪ জন করে শিক্ষার্থী। এভাবে চলা সম্ভব নয়। শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ রয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইউনিয়ঁ সাঁদিকাল লিসেয়েঁ বা সেন্ট্রাল হাইস্কুল স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সভাপতি রিয়াদ রনি সরকারের বিরুদ্ধে ‘দমন-পীড়নের’ অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও তোলেন।

রিয়াদ রনি বলেন, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা খাতে সাধারণ সম্পদের ঘাটতি, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক ও কর্মীর সংকটের প্রতিবাদ করছে।

ফরাসি শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে বলেন, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ করার অধিকার রয়েছে। তবে সহিংসতার ঘটনাগুলোকে তিনি ‘কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে নিন্দা করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বিক্ষোভের অধিকার একটি মৌলিক স্বাধীনতা হলেও সেটিকে সহিংস কর্মকাণ্ডের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। তাঁর ভাষ্য, স্কুল অবরোধ আরও বাড়ানোর আহ্বান শিক্ষার্থী ও সরকারি কর্মীদের বিপদের মধ্যে ফেলতে পারে এবং এটি দায়িত্বজ্ঞানহীন।

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নুও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরও তীব্র হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সোমবার ১৬৪ জনকে আটকের পর তিনি বলেন, স্কুলের সামনে আতশবাজি, আগুন এবং সহিংসতার মতো ঘটনা শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মী কিংবা পুলিশকে বিপদের মধ্যে ফেলার কোনো বৈধতা দিতে পারে না।

একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, উচ্চবিদ্যালয়গুলোর সমস্যাগুলো শুনে সেগুলোর সমাধান করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যেই মঙ্গলবার ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষক, হাসপাতালকর্মী ও সরকারি কর্মচারীদের ইউনিয়নগুলোও ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালন করে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে কম বেতন, কর্মপরিবেশের অবনতি এবং সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট কাটছাঁটের বিরোধিতা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নুনেজের হিসাবে, এসব কর্মসূচিতে অন্তত ২ লাখ মানুষ অংশ নেন। তাঁর দাবি, বেশিরভাগ কর্মসূচিই বড় ধরনের ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট এমন সময়ে হচ্ছে, যখন ফরাসি সরকার ২০২৭ সালের বাজেট নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে। সরকারি ব্যয় কমানোর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে অসন্তোষ বাড়ছে।

ফলে একই দিনে স্কুলশিক্ষার্থীদের শিক্ষা-সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি বৃহত্তর সরকারি কর্মী আন্দোলনও রাজপথে এসে মিলেছে। একদিকে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীর ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত সমস্যার অভিযোগ তুলছে, অন্যদিকে সরকারি কর্মীরা বেতন, কর্মপরিবেশ ও বাজেট কাটছাঁটের বিরোধিতা করছেন। এর মধ্যে বিক্ষোভের কিছু ঘটনায় সহিংসতা ও ব্যাপক আটকের ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

ট্যাগ : ফ্রান্স বিক্ষোভ বিশ্ব

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ফ্রান্সজুড়ে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আটক ৪৪০

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ফ্রান্সজুড়ে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার সহিংস রূপ নিয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৪৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের বেশিরভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে আটকের চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষাব্যবস্থায় অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মীর সংকট, দীর্ঘ ক্লাসসূচি এবং পর্যাপ্ত সম্পদের অভাবের প্রতিবাদে এই আন্দোলনের সূত্রপাত। গত সপ্তাহে প্যারিসের আশপাশের আইল-দে-ফ্রাঁন্স অঞ্চলে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মঙ্গলবার ফ্রান্সের অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়ে।

বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্কুলের প্রবেশপথ অবরোধ করে ক্লাস বন্ধ রাখার চেষ্টা করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, মঙ্গলবার প্রায় ৪০০টি স্কুল বিক্ষোভ অথবা এর কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০টি স্কুল অবরোধ করা হয় এবং আরও ৪৪টি স্কুলে অবরোধের চেষ্টা চালানো হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অনেক শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২ থেকে ৩৫ জন পর্যন্ত। এতে শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদেরও স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু শিক্ষার্থী দীর্ঘ ক্লাসসূচি এবং অতিরিক্ত গরম শ্রেণিকক্ষ নিয়েও অভিযোগ করেছে।

মঙ্গলবার বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফরাসি গণমাধ্যম ও বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা আবর্জনার বাক্সে আগুন ধরিয়ে দেন এবং পুলিশের দিকে বোতল, পাথরসহ বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারেন। কিছু এলাকায় বাসস্টপ ও বিজ্ঞাপনের কাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর জবাবে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। মঙ্গলবারের সংঘর্ষে অন্তত ১০ শিক্ষক ও কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৪৮ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, কিছু ঘটনায় পুলিশের দিকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রী বলেন, ‘আমরা একটি বার্তা দিতে এখানে এসেছি। কোনো কারণ ছাড়াই সবকিছু ভেঙেচুরে ফেলার জন্য আমরা এখানে আসিনি। আমরা বলতে চাই, শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। আমাদের প্রতিটি ক্লাসে ৩৪ জন করে শিক্ষার্থী। এভাবে চলা সম্ভব নয়। শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ রয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইউনিয়ঁ সাঁদিকাল লিসেয়েঁ বা সেন্ট্রাল হাইস্কুল স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সভাপতি রিয়াদ রনি সরকারের বিরুদ্ধে ‘দমন-পীড়নের’ অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও তোলেন।

রিয়াদ রনি বলেন, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা খাতে সাধারণ সম্পদের ঘাটতি, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক ও কর্মীর সংকটের প্রতিবাদ করছে।

ফরাসি শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে বলেন, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ করার অধিকার রয়েছে। তবে সহিংসতার ঘটনাগুলোকে তিনি ‘কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে নিন্দা করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বিক্ষোভের অধিকার একটি মৌলিক স্বাধীনতা হলেও সেটিকে সহিংস কর্মকাণ্ডের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। তাঁর ভাষ্য, স্কুল অবরোধ আরও বাড়ানোর আহ্বান শিক্ষার্থী ও সরকারি কর্মীদের বিপদের মধ্যে ফেলতে পারে এবং এটি দায়িত্বজ্ঞানহীন।

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নুও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরও তীব্র হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সোমবার ১৬৪ জনকে আটকের পর তিনি বলেন, স্কুলের সামনে আতশবাজি, আগুন এবং সহিংসতার মতো ঘটনা শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মী কিংবা পুলিশকে বিপদের মধ্যে ফেলার কোনো বৈধতা দিতে পারে না।

একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, উচ্চবিদ্যালয়গুলোর সমস্যাগুলো শুনে সেগুলোর সমাধান করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যেই মঙ্গলবার ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষক, হাসপাতালকর্মী ও সরকারি কর্মচারীদের ইউনিয়নগুলোও ধর্মঘট ও কর্মবিরতি পালন করে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে কম বেতন, কর্মপরিবেশের অবনতি এবং সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট কাটছাঁটের বিরোধিতা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নুনেজের হিসাবে, এসব কর্মসূচিতে অন্তত ২ লাখ মানুষ অংশ নেন। তাঁর দাবি, বেশিরভাগ কর্মসূচিই বড় ধরনের ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট এমন সময়ে হচ্ছে, যখন ফরাসি সরকার ২০২৭ সালের বাজেট নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে। সরকারি ব্যয় কমানোর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে অসন্তোষ বাড়ছে।

ফলে একই দিনে স্কুলশিক্ষার্থীদের শিক্ষা-সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি বৃহত্তর সরকারি কর্মী আন্দোলনও রাজপথে এসে মিলেছে। একদিকে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীর ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত সমস্যার অভিযোগ তুলছে, অন্যদিকে সরকারি কর্মীরা বেতন, কর্মপরিবেশ ও বাজেট কাটছাঁটের বিরোধিতা করছেন। এর মধ্যে বিক্ষোভের কিছু ঘটনায় সহিংসতা ও ব্যাপক আটকের ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ